দিল্লি আদালতের রায়ে বিরাট জয় শিখর ধাওয়ানের (Shikhar Dhawan)। প্রাক্তন স্ত্রী আয়েশা মুখোপাধ্যায়কে দিল্লির একটি পারিবারিক আদালত নির্দেশ দিয়েছে শিখরকে ৫ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে। অস্ট্রেলিয়ার আদালতের রায়ে যে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার। সদ্য তিনি দ্বিতীয় বিবাহ করেছেন। তার মধ্যেই পুরনো মামলায় জয় পেলেন ধাওয়ান।
২০২৩ সালে ধাওয়ানের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয় আয়েশার। যিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। বিচ্ছেদের পর আয়েশা 'সম্পত্তি ভাগাভাগি'র জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিচারব্যবস্থার দ্বারস্থ হন। সেদেশের আইনি ব্যবস্থায় সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে বৈবাহিক জীবনের সমস্ত সম্পত্তি ভাগাভাগি করতে হয়। সেই অনুযায়ী অস্ট্রেলিয়ার পারিবারিক ধাওয়ানকে ৫.৭২ টাকা দেওয়ার আদেশ দিয়েছিল।
তবে ভারতের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার আদালতের আদেশের সারবত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলল দিল্লির আদালত। বিচারকের পর্যবেক্ষণ, অস্ট্রেলিয়ার এই 'সম্পত্তির ভাগাভাগির' নিয়ম ভারতীয় আইনি ব্যবস্থায় অপ্রাসঙ্গিক। ভারতের হিন্দু বিবাহ আইনের আওতায় এভাবে সরাসরি সম্পত্তি বা টাকা ফেরতের কোনও এক্তিয়ার নেই। তাই দিল্লি আদালত অস্ট্রেলিয়ার আদালতের আদেশের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলল। সেই সঙ্গে আয়েশাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে টাকা ফেরত দিতে।
দশ বছরের বড় অস্ট্রেলিয়া নিবাসী বঙ্গকন্যা আয়েষার সঙ্গে ২০১২ সালে বিয়ে করেন শিখর। তাঁদের একটি পুত্রও আছে। তাছাড়াও বিয়ের পর আয়েষার দুই কন্যাকে দত্তক নেন শিখর। ২০২৩-এ তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। তিন সন্তানকে নিয়ে আপাতত মেলবোর্নে থাকেন আয়েষা। তবে চল্লিশ পেরিয়ে আবারও ভালোবাসার সন্ধান পেয়েছেন শিখর। তাঁর জীবনে নতুন ইনিংস শুরুর ইঙ্গিত মেলে ২০২৪ সালের শেষের দিকে। অবশেষে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ঘরোয়া অনুষ্ঠানে শিখর ও সোফি শাইনের চারহাত এক হয়।
