একটা সময়ে বাংলার মহিলা দলকে কোচিং করিয়েছেন। সাফল্যও পেয়েছেন। কিন্তু এবার ভিড় মেট্রোয় শ্লীলতাহানি করলেন সেই কোচ! অভিযোগ, ভিড়ে ঠাসা মেট্রোর মধ্যে এক মহিলা যাত্রীর সঙ্গে আপত্তিরকর আচরণ করেছেন জয়ন্ত ঘোষ দস্তিদার। ইতিমধ্যেই জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে তাঁকে।
ঘটনার সূত্রপাত গত বৃহস্পতিবার। সকালবেলা ভিড় মেট্রো রেলে মহিলা যাত্রীর সাথে অসভ্যতার অভিযোগে ধরা পড়েন তিনি। চলন্ত ট্রেনে অশ্লীল আচরণ করতে থাকেন। তারপর যাত্রীরা সকলে মিলে পুলিশের হাতে তুলে দেন জয়ন্তকে। সেন্ট্রাল স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার হন বাংলা মহিলা দলের প্রাক্তন কোচ। তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির মামলা দায়ের করে বৌবাজার থানার পুলিশ। ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয় জয়ন্তকে। বিচারক আপাতত তাঁকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত জেল হেফাজতে থাকবেন তিনি।
যখন অনূর্ধ্ব ১৫ মহিলা দলের কোচ ছিলেন, সেসময়ে তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে। তৎকালীন অনূর্ধ্ব ১৫ মহিলা দলের ফিজিও শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনেন জয়ন্তর বিরুদ্ধে।
বেশ কিছুদিন বাংলার মহিলা ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন জয়ন্ত। একই বছরে সিনিয়র আর অনূর্ধ্ব ২৩-এ চ্যাম্পিয়ন বাংলার মহিলা দলের কোচ ছিলেন। অনূর্ধ্ব ১৫ মেয়েদের ওয়ান ডে ট্রফিও জিতেছেন কোচ হিসাবে। ত্রিমুকুটজয়ী কোচ একটা সময় পেসার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। বাংলার হয় তিনটে রনজি খেলেছেন। খেলেছেন ভারতের অনূর্ধ্ব ১৯ দলেও। সেই দলের অধিনায়ক ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। কিন্তু ক্রিকেটার হিসাবে কেরিয়ার তৈরি হয়নি জয়ন্তর। সেই আক্ষেপ মিটেছিল কোচ হিসাবে।
কিন্তু মহিলা দলের কোচ হয়েও বারবার শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে জয়ন্তর বিরুদ্ধে। যখন অনূর্ধ্ব ১৫ মহিলা দলের কোচ ছিলেন, সেসময়ে তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে। তৎকালীন অনূর্ধ্ব ১৫ মহিলা দলের ফিজিও শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনেন জয়ন্তর বিরুদ্ধে। উত্তাল হয় বঙ্গ ক্রিকেট। অভিযোগ ওঠার পরেই অবশ্য কোচের পদ থেকে জয়ন্তকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এবার মেট্রোয় সহযাত্রীর শ্লীলতাহানির ঘটনায় জেলে যেতে হল তাঁকে।
