টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার পর থেকে শিরোনামে হার্দিক পাণ্ডিয়া (Hardik Pandya)। ট্রফি জিতে মাঠেই হার্দিককে চুমু খান মাহিকা। তখনই তাঁকে ‘মিসেস’-এর মর্যাদা দেন ভারতীয় অলরাউন্ডার। এর পর মাহিকাকে সঙ্গে নিয়ে মুম্বইয়ে ফিরেছেন তিনি। সম্প্রতি তাঁকে সমুদ্রসৈকতে ছুটি কাটাতে দেখা যায়। এরই মধ্যে বিশ্বকাপ জিতে নিজেকে গাড়ি উপহার দিলেন হার্দিক। যার দাম পাকিস্তান সুপার লিগের পুরস্কার মূল্যের থেকে ৩ গুণ বেশি।
তিনি কিনেছেন ঝকঝকে এক সুপারকার, ‘ফেরারি ১২ সিলিন্ড্রি’। ইটালির বিখ্যাত গাড়ি নির্মাতা ফেরারির অত্যাধুনিক এই মডেলটি ইতিমধ্যেই তাঁর বিলাসবহুল গ্যারাজে জায়গা করে নিয়েছে। গতি ও সৌন্দর্যের এক দুর্লভ সমন্বয় এটি। মডেলটিকে অনায়াসেই লাক্সারি স্পোর্টস কার বলা যায়। জানা গিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে নিজেকে নিজেই এই উপহার দিয়েছেন তিনি। বিলাসবহুল গাড়ির প্রতি পাণ্ডিয়ার অনুরাগ অবশ্য নতুন কিছু নয়। তাঁর ব্যক্তিগত গ্যারাজে ইতিমধ্যেই রয়েছে রোলস-রয়েস ফ্যান্টম, অডি এ৬, রেঞ্জ রোভার ভোগ, ল্যাম্বোরগিনি উরুস এসই এবং মার্সিডিজ-বেঞ্জের বেশ কয়েকটি মডেল। ভাইরাল এক ভিডিওয় হার্দিককে নতুন ফেরারি চালাতে দেখা গিয়েছে। ভারতীয় অলরাউন্ডারের পাশের সিটে বসেছিলেন তাঁর হৃদয়হরণী মাহিকা। এরপরেই তাঁর বিলাসবহুল গাড়ির সংগ্রহের নতুন সংযোজনকে ঘিরে নেটিজেনদের মনে আগ্রহ তুঙ্গে।
গাড়িটির দাম ভারতে প্রায় ১২ কোটি টাকা। যা পিএসএলের পুরস্কার মূল্যের থেকে ৩ গুণ বেশি। ২০২৫ সালে পিএসএল জয়ী লাহোর কালান্দার্স পেয়েছিল ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪.২ কোটি টাকা। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, হার্দিকের গাড়ির দাম এর থেকে প্রায় ৩ গুণ বেশি। ১২ সিলিন্ড্রি মডেলটি শক্তিশালী অ্যাসপিরেটেড ভি১২ ইঞ্জিনে চালিত। গাড়িটি ৮০০-র বেশি হর্সপাওয়ার শক্তি উৎপন্ন করতে পারে। এর সর্বোচ্চ গতি প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৩৪০ কিলোমিটার।
উল্লেখ্য, বিশ্বকাপে হার্দিক করেছিলেন ২১৭ রান। নিয়েছিলেন ৯ উইকেট। আরও একবার ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার হিসাবে উঠে এসেছেন হার্দিক। ব্যাটে-বলে সমানে পারফর্ম করেছেন তিনি। সম্প্রতি পাণ্ডিয়া তাঁর ছেলে অগস্ত্য এবং প্রাক্তন স্ত্রী নাতাশা স্টানকোভিচকে প্রায় ৪ কোটি টাকার একটি ল্যান্ড রোভার ডিফেন্ডার উপহার দিয়েছিলেন। এবার তিনি কিনে ফেললেন নতুন ফেরারি। সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ। ২৮ মার্চ থেকে আইপিএল শুরু। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের জার্সিতে মাঠ মাতাতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন হার্দিক। যাঁর জীবন যেন সমান তালে ছুটে চলেছে ক্রিকেট মাঠ ও বিলাসবহুল গতির সড়কে।
