১০ দিনেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলছে মধ্যপ্রাচ্যে। যার সরাসরি প্রভাব ক্রিকেট বিশ্বে পড়ার কথা ছিল না। কারণ যুদ্ধ জড়িত কোনও দেশই সেভাবে প্রথম সারির ক্রিকেট খেলিয়ে দেশ নয়। কিন্তু আইসিসির কপাল মন্দ। যুদ্ধের আঁচ বেশ ভালোমতোই সহ্য করতে হচ্ছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থাকে। যুদ্ধের জেরে টুর্নামেন্ট শেষেও দেশে ফিরতে পারেনি একাধিক দেশ। বাতিল হয়েছে একটি সিরিজ। এবার ভন্ডুল হল আইসিসির বোর্ড মিটিংও।
এমনিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরোক্ষ প্রভাব পড়েছিল টি-২০ বিশ্বকাপে। আকাশপথে যাতায়াতে সমস্যায় পড়েছেন ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফ, সম্প্রচারের সঙ্গে যুক্ত কর্মী ও বিশ্বকাপের আয়োজনের দায়িত্বে থাকা কর্মী, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কর্মী এবং বিভিন্ন দেশের বোর্ডের আধিকারিকরা। এমনকী, একাধিক দেশের ক্রিকেটার এখনও আটকে। কিন্তু এসবই ছিল পরোক্ষ প্রভাব। এবার সরাসরি যুদ্ধের প্রভাব পড়া শুরু করল ক্রিকেটের উপর।
এবার প্রত্যক্ষভাবে যুদ্ধের প্রভাব আইসিসির উপর। যুদ্ধের জেরে দোহায় আয়োজিত হতে চলা আইসিসির অর্থ কমিটির বৈঠক বাতিল হয়ে গেল। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে দোহায় পৌঁছানো আইসিসি কর্তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই ভারচুয়ালি ওই বৈঠক হতে পারে। এপ্রিলে সম্ভব হলে সশরীরে হাজির থেকে বৈঠক করবেন কর্তারা। বৈঠকের সবচেয়ে বড় এজেন্ডা হল সম্প্রচার সত্ত্ব। ২০২৭ সালের জিও হটস্টারের সঙ্গে চুক্তি শেষ হচ্ছে আইসিসির। নতুন করে চুক্তির জন্য কী কী শর্ত রাখা হবে, সেসব নিয়েই আলোচনা হওয়ার কথা ওই বৈঠকে। এই সম্প্রচার স্বত্ত্ব আইসিসির জন্য মহাগুরুত্বপূর্ণ। ফলে বৈঠকটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সেটাই যুদ্ধের জন্য হচ্ছে না।
অন্যদিকে যুদ্ধের জেরেই আফগানিস্তানের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার সিরিজ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। মার্চের ১৩ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে তিনটি টি-টোয়েন্টি ও তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে গিয়ে ম্যাচ খেলতে রাজি নয় কোনও দলই।
