৬, ৭, ৯। আইপিএলে টানা তিন ম্যাচে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। আইপিএল শুরু হতেই ৩১ বছরের এই উইকেটরক্ষকের ব্যাটে রান উধাও। নতুন দল সিএসকে'র হয়ে এখনও পর্যন্ত রান পাননি। তিনি সঞ্জু স্যামসন। আইপিএলে টানা ব্যর্থ হলেও আইসিসি'র পুরস্কার পাওয়ার দৌড়ে চলে এলেন তিনি। তবে সহজে মিলবে না পুরস্কার। তাঁকে লড়তে হবে সতীর্থ জশপ্রীত বুমরাহর সঙ্গে।
আইসিসি'র কোন পুরস্কার পাওয়ার দৌড়ে রয়েছেন তাঁরা? প্রত্যেক মাসে সেরা ক্রিকেটারকে পুরস্কার দেয় ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই তাঁরা মনোনীত হয়েছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পিছনে রয়েছে সঞ্জুর অনবদ্য পারফরম্যান্স। বিশ্বকাপের শেষ তিনটি ম্যাচেই তিনি হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সুপার এইটের ম্যাচে ৯৭, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে ৮৯ এবং নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনালে ৮৯ করেন। টুর্নামেন্টের সেরার পুরস্কারও পান তিনি। মূলত তিনিই গড়ে দিয়েছিলেন বিশ্বজয়ের ভিত।
ফাইল ছবি।
অন্যদিকে, বিশ্বকাপে বুমরাহ ৭ উইকেট পেয়েছিলেন। গড় ছিল মাত্র ১২। ওভার পিছু রান দিয়েছিলেন মাত্র ৭। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পেয়েছিলেন চার উইকেট। কিংবা ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালের ম্যাচের কথাই ধরা যাক। প্রায় পাঁচশো রানের একটা টি-টোয়েন্টি যুদ্ধে ডেথ ওভারে এসে স্রেফ ১৪ রান দিয়েছিলেন তিনি। ১৬তম ওভারে ৮। ১৮তম ওভারে ৬। কেন তিনি বিশ্বের সেরা পেসার, তারও প্রমাণ দিয়েছেন বারবার।
সব মিলিয়ে সঞ্জু এবং বুমরাহ এখন আইসিসি'র পুরস্কারের দৌড়ে সম্মুখ সমরে। তবে তালিকায় আরও একজন রয়েছেন। কনর এস্টারহুইজেন। দক্ষিণ আফ্রিকার এই ডানহাতি ব্যাটার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিষেক ঘটিয়েছিলেন। প্রথম সিরিজেই মুগ্ধ করেছেন ২৪ বছর বয়সি এই প্রোটিয়া তরুণ। করেছিলেন ৫০ গড়ে ২০০ রান। স্ট্রাইক রেট ছিল ১৪৫.৯৮। দলের ৩-২ সিরিজ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। সিরিজ সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পান। এখন দেখার, আইসিসি'র মাসের সেরার পুরস্কার পান কে।
