আর মাত্র দু'টো ম্যাচ বাকি। তারপরেই এবছরের আইপিএলের সমাপ্তি। এই শেষ লগ্নে এসে ক্রিকেটার এবং দলের অন্যান্য কর্তাদের জন্য কড়া নির্দেশিকা জারি করল বিসিসিআই। চলতি বছর আইপিএল (IPL 2026) চলাকালীন বোর্ডের তরফে একের পর এক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কখনও বান্ধবীদের নিয়ে চলাফেরায় নিষেধাজ্ঞা, কখনও রিল বানানোয় কড়াকড়ি-সমস্ত কিছুই হয়েছে চলতি আইপিএলে। শেষ লগ্নে এসে ফের নতুন নিয়ম ঘোষণা করল বোর্ড।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছিল, আইপিএল চলাকালীন ‘গার্লফ্রেন্ড সংস্কৃতি’ নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে ড্রেসিংরুমের পরিবেশ, দলের শৃঙ্খলা ও ম্যাচ প্রস্তুতিতে। সেকারণে বান্ধবীদের 'অনভিপ্রেত লোকজন' বলে উল্লেখ করে বোর্ডের তরফে বলা হয়েছিল, টিম হোটেল, বাসে, ড্রেসিংরুমে এঁদের উপস্থিতি বাঞ্ছনীয় নয়। বোর্ডের তরফ থেকে সরকারিভাবে এমন নির্দেশিকা অবশ্য জারি করা হয়নি। কিন্তু হার্দিক পাণ্ডিয়ার মতো বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার বোর্ডের এমন নির্দেশে অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন বলেও খবর ছড়ায়। এখানেই শেষ নয়, সোশাল মিডিয়ায় ভ্লগ পোস্ট করা বন্ধ করতে অর্শদীপ সিংকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
এবার ক্রিকেটার এবং দলের অন্যান্য সদস্যদের জন্য প্রকাশ্যে এল নতুন নিষেধাজ্ঞা। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, স্মার্ট সানগ্লাস পরতে পারবেন না কেউ। কারণ এই সানগ্লাসের মধ্যে লাইভ স্ট্রিমিং, মেসেজ পাঠানো, অডিও এবং ভিডিও কলের মতো সমস্ত কর্মকাণ্ডই করা যেতে পারে। যেহেতু ম্যাচ চলাকালীন এই সানগ্লাস পরলে বাইরের দুনিয়ার সঙ্গে ক্রিকেটাররা যোগাযোগ রাখতে পারেন, তাই এই সানগ্লাস পরা আপাতত নিষিদ্ধ। উল্লেখ্য, বিরাট কোহলি থেকে শুরু করে অভিষেক শর্মা-সকলকেই সানগ্লাস পরে মাঠে নামতে দেখা যায়। তবে তার মধ্যে কোনটা স্মার্ট সানগ্লাস, সেটা আলাদা করে দেখে বোঝার উপায় নেই।
কেন এই নির্দেশিকা জারি করল বোর্ড? আসলে চলতি আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের ম্যানেজার রোমি ভিন্দেরকে ডাগআউটে বসে মোবাইল ব্যবহার করতে দেখা যায়। সেই নিয়ে শুরু হয় প্রবল বিতর্ক। গড়াপেটার গন্ধও পান অনেকে। সেসব রুখতেই সম্ভবত সানগ্লাস সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা বোর্ডের।
