আফগানিস্তান: ২১৮/১০ (হাশমাতুল্লা ১০২, ওমরজাই ৫০, প্রসিদ্ধ ২৩/৫)
ভারত: ২২৪/১ (যশস্বী ১১০*, রোহিত ৭৯, নবি ৪৭/১)
৯ উইকেটে জয়ী ভারত।
সিরিজ নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল আগেই। দেখার ছিল, আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করতে পারে কিনা টিম ইন্ডিয়া। সেই পরীক্ষায় একশোয় একশো পেলেন শুভমান গিলরা। আফগান অধিনায়ক হাশমাতুল্লার সেঞ্চুরিতে ২১৮ রান তোলে দল। আর সেই রান মাত্র ১ উইকেটেই তুলে নেয় 'মেন ইন ব্লু'। অর্থাৎ চেন্নাইয়ে সিরিজের শেষ ম্যাচেও খড়কুটোর মতো উড়ে গেল আফগানিস্তান। ওয়ানডে সিরিজে একপেশে জয় পেল টিম ইন্ডিয়া।
তিন ম্যাচের আফগানিস্তান সিরিজ ইতিমধ্যেই জিতে নেওয়ায় শনিবারের ম্যাচটি ছিল কার্যত 'নিয়মরক্ষার'। সেই ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন আফগান অধিনায়ক হাশমাতুল্লা শাহিদি। কিন্তু ব্যাট করতে নেমেই আফগান ব্যাটিং লাইন আপ মুখ থুবড়ে পড়ে। মাত্র ৩৬ রানের মধ্যে পড়ে যায় চার উইকেট। টপ অর্ডার বেসামাল হয়ে যায় প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর আগুনে বোলিংয়ে।
আফগানিস্তানের ইনিংস সামলান হাশমাতুল্লা শাহিদি এবং ওমরজাই। পঞ্চম উইকেটে ১১৪ রানের জুটি গড়েন তাঁরা। ৫৬ বলে ৫০ করে ফিরে যান ওমরজাই। তিনি ফিরতেই আফগান ব্যাটিংয়ে ফের ধস নামে। হাশমাতুল্লা একা কুম্ভ হয়ে লড়াকু সেঞ্চুরি করলেও বড় রান তুলতে পারেনি তারা। কারণ সঙ্গীহীনতা। শেষ পর্যন্ত ১০২ রানের মাথায় প্রসিদ্ধর বলে শ্রেয়সের হাতে ক্যাচ দেন। এখানেই শেষ হয় আফগানিস্তানের ইনিংস।
জবাবে আগ্রাসী শুরু রোহিত শর্মা, যশস্বী জয়সওয়ালের। একেবারে 'ভিন্টেজ হিটম্যান'কে দেখা গেল এদিন। যদিও নিশ্চিত সেঞ্চুরির ফেলে আসেন। ৬৯ বলে ৭৯ রানের ইনিংসে ছিল ৯টি চার, ৩টি ছক্কা। প্রথম উইকেটে ওঠে ১৭০ রান। রোহিত সেঞ্চুরি না পেলেও যশস্বী ৮৬ বলে ১১০ রানে অপরাজিত থাকেন। তাঁর ইনিংস সাজানো ১৪ চার, ৩ ছক্কায়। শ্রেয়স অপরাজিত থাকেন ২০ রানে। জয়ের রান মাত্র ২৮.৪ ওভারে তুলে নেয় টিম ইন্ডিয়া। ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হলেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। একটি হাফসেঞ্চুরি ও এক সেঞ্চুরি করে সিরিজের সেরার পুরস্কার ভারত অধিনায়ক শুভমান গিলের।
