৮৯ রানের বিরাট ব্যবধানে হেরে আইপিএল অভিযান এবারের মতো শেষ করল চেন্নাই সুপার কিংস। লজ্জার হারের পর গোটা দলের কপালে জুটল বিরাট শাস্তিও। চলতি মরশুমের শুরু থেকেই ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগেছেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়রা। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলিতে জ্বলে উঠতে পারেনি দল। একটাও ম্যাচে নামেননি মহেন্দ্র সিং ধোনি। সবমিলিয়ে চেন্নাই ভক্তদের মন খারাপ নিয়েই এবারের আইপিএল শেষ করতে হল।
বৃহস্পতিবার গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে মরণবাঁচন ম্যাচ ছিল চেন্নাইয়ের। প্লেঅফে পৌঁছতে গেলে এই ম্যাচ বড় ব্যবধানে জিততেই হত। কিন্তু ম্যাচ জয় তো দূর, ২০ ওভার পর্যন্ত ব্যাটিংই করতে পারল না ইয়েলো আর্মি। প্রথমে ব্যাট করে এদিন ২২৯ রান তোলে গুজরাট। কঠিন টার্গেট তাড়া করতে নেমে নাকানিচোবানি খায় চেন্নাই। একমাত্র শিবম দুবে ১৭ বলে ৪৭ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলে ম্যাচের হাল ধরার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু ক্রিজের অপর প্রান্ত থেকে সাহায্য পাননি। মাত্র ১৩.৪ ওভারে অলআউট হয়ে যায় চেন্নাই। তিনটি করে উইকেট তুলে নেন রশিদ খান, মহম্মদ সিরাজ এবং কাগিসো রাবাডা। ১৪০ রানে চেন্নাইয়ের ইনিংস শেষ করে দেন তাঁরা।
লজ্জার হারের পর আরও বড়সড় শাস্তি নেমে এল চেন্নাই শিবিরে। আইপিএল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, টুর্নামেন্টের কোড অফ কন্ডাক্ট লঙ্ঘন করেছে চেন্নাই। সেকারণে গোটা দলকেই শাস্তি পেতে হবে। বৃহস্পতিবার গুজরাট ম্যাচে স্লো ওভার রেটের কারণেই বিরাট শাস্তি পেল চেন্নাই। ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে অধিনায়ক রুতুরাজকে। যেহেতু চলতি আইপিএলে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার স্লো ওভার রেট হল চেন্নাইয়ের, সেকারণে প্রথম একাদশে থাকা সমস্ত ক্রিকেটার এবং ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার-প্রত্যেককে জরিমানা গুণতে হবে। ম্যাচ ফি'র ২৫ শতাংশ অথবা ৬ লক্ষ টাকা-যেটার পরিমাণ কম সেই অঙ্কটা দিতে হবে জরিমানা হিসাবে।
চলতি আইপিএলে ১৪টি ম্যাচের মধ্যে মাত্র ৬টি জিতেছে চেন্নাই। একেবারে শেষ পর্যন্ত প্লেঅফের লড়াইয়ে থাকলেও, তাদের সামনে অঙ্কটা খুব কঠিন ছিল। লাগাতার ব্যর্থতার পর আগামী মরশুমে চেন্নাই দলে বড়সড় রদবদলের সম্ভাবনা প্রবল।
