দিল্লি ক্যাপিটালস- ১৫৫/৭ (রিজভি ৪০ অপরাজিত, স্টাবস ৩৮, নুর আহমেদ- ২২/২)
চেন্নাই সুপার কিংস- ১৫৯/২ (সঞ্জু- অপরাজিত ৮৭, কার্তিক শর্মা ৪১ অপরাজিত)
চেন্নাই ৮ উইকেটে জয়ী।
পুঁজি মাত্র দেড়শো রান। তাই নিয়ে ভালোই লড়াই শুরু করেছিল দিল্লি। কিন্তু তাদের সমস্ত প্রতিরোধ গুঁড়িয়ে গেল সঞ্জু স্য়ামসন নামের এক অনবদ্য খেলোয়াড়ের হাতে। শতরানের কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন তিনি। জয় এনে দিলেন অনায়াসে। ১৫ বল বাকি থাকতে থাকতে ৮ উইকেটে জিতে গেল তারা।
এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন দিল্লির অধিনায়ক। শুরুটা ছিল মাঝারি। পাথুম নিসঙ্ক ও কে এল রাহুল ফিরে যান পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার আগেই। তাঁরা যথাক্রমে ১৯ ও ১২ রান করেন। স্বাভাবিক এরপর যাঁদের কাঁধে দায়িত্ব ছিল সেই নীতীশ রানা (১৫), করুণ নায়ার (১৩) এবং অক্ষর প্যাটেল (২) কেউই রান পাননি। ৬৯ রানে পড়ে যায় পাঁচ উইকেট। ওভারও দশের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কিছুটা লড়াই করেন স্টাবস (৩৮) ও রিজভি (অপরাজিত ৪০)। তাঁদের পার্টনারশিপের ৬৫ রান দিল্লিকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। একেবারে শেষে আশুতোষ শর্মা ৫ বলে জোড়া ছক্কায় ১৪ রান করে যান। দিল্লি পেরয় দেড়শোর গণ্ডি। কুড়ি ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৫ রান তোলে তারা।
টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন দিল্লির অধিনায়ক।
কিন্তু বল হাতে চেন্নাইকে শুরু থেকেই চাপে রাখতে থাকে দিল্লি। অধিনায়ক রুতুরাজ (৬) যখন ফিরলেন তখন ৩.৫ ওভারে স্কোর মাত্র ২৪। পাওয়ার প্লে-র প্রথম ৬ ওভারে ওঠে ৪৪। উর্বিল প্যাটেল দু'টি ছক্কা মারলেও ৯ বলে ১৭ রানের বেশি করতে পারেননি। অল্প পুঁজি নিয়েও দিল্লি পুরোদস্তুর লড়াই করেছে শুরু থেকেই। কিন্তু সঞ্জু স্যামসন শুরু থেকেই দাঁতে দাঁত চিপে ইনিংস টেনে নিয়ে গেলেন।
দিল্লি জানত তাদের হাতে পুঁজি কম। তাই প্রতিটি বলে লড়াই জারি রাখছিল তারা। একসময় ৯ বলে এল মাত্র ২ রান! আস্কিং রেট তখন ধীরে ধীরে বাড়ছে। এরপরই নটরাজনের তিন বলে দু'টি ছক্কা ও একটি বাউন্ডারি মেরে চাপের পাহাড় গুঁড়িয়ে দিলেন সেই সঞ্জুই। কার্তিক শর্মাকে নিয়ে তিনিই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। রীতিমতো গরমে এতক্ষণ এভাবে খেলে যাওয়া সহজ নয়। শেষপর্যন্ত ৫২ বলে তিনি করলেন অপরাজিত ৮৭। মারলেন ৭টি বাউন্ডারি ও হাফ ডজন ছক্কা। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দিলেন কার্তিক শর্মা (৪১, ৪X৪, ২X৬)।
