মুম্বই ইন্ডিয়ান্স: ১৬২/৬ (সূর্য ৫১, রোহিত ৩৫, মুকেশ ২/২৬)
দিল্লি ক্যাপিটালস: ১৬৪/৪ (রিজভি ৯০, নিশঙ্কা ৪৪)
৬ উইকেটে জয়ী দিল্লি
আরও একটা ম্যাচ। আবারও নিজের কাঁধে গোটা দলকে টেনে নিয়ে গেলেন তরুণ তুর্কি সমীর রিজভি। শনিবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে তাঁর ঝোড়ো ইনিংসে ভর করে চলতি আইপিএলে ফের জিতে গেল দিল্লি ক্যাপিটালস। টানা দুই ম্যাচ জিতে অক্ষর প্যাটেলের দল এখন পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। এখনও পর্যন্ত একেবারে চ্যাম্পিয়নের মতো দেখাচ্ছে কে এল রাহুলদের।
শনিবার ফিটনেস সমস্যায় খেলতে পারেননি মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়া। তাঁর পরিবর্তে পাঁচবারের আইপিএলজয়ী দলকে নেতৃত্ব দেন সূর্যকুমার যাদব। কিন্তু বিশ্বজয়ী অধিনায়ক এদিন টস হারলেন। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে খানিকটা মন্থর ইনিংস রোহিত শর্মার। কেকেআরের বিরুদ্ধে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন। শনিবার খেললেন ২৬ বলে ৩৫ রানের ইনিংস। অধিনায়ক সূর্যও ৩৬ বলে ৫১ রান করেন। কিন্তু সেভাবে আগ্রাসী ইনিংস খেলতে পারেননি মুম্বইয়ের কোনও ব্যাটারই। মূলত অক্ষরের আঁটসাট বোলিংয়ের সামনেই আটকে গেল মুম্বই। ২০ ওভার শেষে মুম্বইয়ের স্কোর গিয়ে দাঁড়ায় ১৬২তে। দিল্লি বোলারদের মধ্যে কুলদীপ যাদব ছাড়া সকলেই উইকেট পেয়েছেন এদিন।
বোলারদের দাপটে দিল্লির জয়ের ভিত অনেকটাই শক্ত হয়। কিন্তু দিল্লিভক্তদের মনে ভয় ধরিয়ে দিয়েছেন কে এল রাহুল। লখনউয়ের বিরুদ্ধে প্রথম বলেই আউট হয়েছিলেন। এদিন উইকেট খোয়ালেন তৃতীয় বলে। সংগ্রহ মাত্র এক রান। আরেক তারকা নীতীশ রানাও তিন বলে খাতা না খুলেই প্যাভিলিয়নে ফিরলেন। দিল্লি ভক্তরা যখন আরও একবার ব্যাটিং বিপর্যয়ের আতঙ্কে ভুগছেন, সেসময়ে বাইশ গজে এলেন রিজভি। ওপেনার পাথুম নিশঙ্কাকে সঙ্গী করে গড়লেন ৬৬ রানের জুটি। ওই পার্টনারশিপে ভর করেই ম্যাচে ফিরল দিল্লি।
দশম ওভারে নিশঙ্কা আউট হলেও ঠাণ্ডা মাথায় দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজটা করে যান রিজভি। উলটো দিকে ডেভিড মিলারের মতো বিস্ফোরক ব্যাটারও এদিন স্রেফ 'ঠেকা দেওয়া'র কাজ করে গেলেন। শেষে অতি আগ্রাসী শট খেলে উইকেট খোয়ালেন রিজভি। ৯০ রানে আউট হলেও দলের জয় ততক্ষণে নিশ্চিত করে ফেলেছেন। টানা দুই ম্যাচ জিতে চলতি আইপিএলে ছুটছে দিল্লির জয়রথ। ৪ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অক্ষররা।
