তাঁকে ঘিরে ধোঁয়াশা যেন কাটছেই না। সোমবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে ম্যাচে তিনি খেলেননি। শুধু তাই নয়, রবিবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। এরই মধ্যে জানা গেল, দলের সঙ্গে রায়পুরেও যাননি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়া।
বুধবার ছত্তিশগড়ের রায়পুরে উড়ে যায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দল। বিমানবন্দরে দলের অন্যান্য সদস্যদের দেখা গেলেও হার্দিককে দেখা যায়নি। পরে তিনি দলে যোগ দেবেন কি না, সে সম্পর্কেও কোনও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে কেন তিনি দলের সঙ্গে গেলেন না, তা নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। প্রশ্ন উঠছে, এখনও কি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি হার্দিক পাণ্ডিয়া?
হার্দিক পাণ্ডিয়া। ছবি বিসিসিআই।
লখনউয়ের বিরুদ্ধে টস করতে নেমেছিলেন সূর্যকুমার যাদব। তিনি জানান, হার্দিক অসুস্থ ছিলেন বলেই ওই ম্যাচে খেলতে পারেননি। তাই স্বাভাবিকভাবেই অধিনায়কত্বের ব্যাটন ওঠে সূর্যের হাতে। সেই ম্যাচে জয় পায় মুম্বই। পরে দল জানায়, পিঠে ব্যথার কারণেই হার্দিক মাঠে নামতে পারেননি। ম্যাচের ঠিক আগে সমস্যা শুরু হওয়ায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয় টিম ম্যানেজমেন্টকে।
চলতি আইপিএলে এর আগেও দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে একটি ম্যাচে খেলতে পারেননি হার্দিক। জোরে বোলারদের ক্ষেত্রে পিঠের চোট নতুন কিছু নয়। হার্দিক নিজেও আগে একাধিকবার এই সমস্যায় ভুগেছেন। দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরেও থাকতে হয়েছে তাঁকে। সেই কারণেই এবার আর ঝুঁকি নিতে চাইছে না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।
তবে ঠিক এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলের অধিনায়ককে না পাওয়া মুম্বইয়ের জন্য বড় ধাক্কা। টুর্নামেন্টে তাদের সামনে বাকি সব ম্যাচই কার্যত ‘ডু অর ডাই’ পরিস্থিতি। সব ম্যাচ জিতলেও সর্বোচ্চ ১৪ পয়েন্টে পৌঁছতে পারবে তারা। তবুও অন্য দলের ফলাফলের উপর নির্ভর করতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে অধিনায়কের অনুপস্থিতি মুম্বইয়ের চ্যালেঞ্জ আরও কঠিন করে তুলেছে।
