আইপিএলের 'ক্যাপ্টেন্স মিটে' উঠে এল ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার প্রসঙ্গ। সূত্রের খবর, লিগের দশ অধিনায়কের অধিকাংশই এই নিয়ম নিয়ে নিজেদের অসন্তোষের কথা জানিয়েছেন বোর্ডকে। তবে পালটা বোর্ডের তরফে তাঁদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, ২০২৭ আইপিএলের পরই এই বিষয়ে আলোচনা হবে।
শনিবার চিন্নাস্বামীতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে এবারের আইপিএল। তার আগে বুধবার মুম্বইয়ে হয় 'ক্যাপ্টেন্স মিট'। সেখানে আলোচনার সিংহভাগ জুড়েই ছিল 'ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার'। ২০২৩ সালে প্রথমবার এই নিয়ম শুরু হয় আইপিএলে। পরের বছর বোর্ড ঘোষণা করে, ২০২৭ পর্যন্ত লিগে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ম কার্যকর থাকবে। তবে প্রথম থেকেই ক্রিকেটারদের একটা বড় অংশ এই নিয়মের বিরুদ্ধে। এর 'ইমপ্যাক্টে' টি-টোয়েন্টিতে অলরাউন্ডাররা কোণঠাসা হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা রোহিত শর্মা, হার্দিক পাণ্ডিয়ার মতো তারকাদের। সম্প্রতি নিয়মটি পছন্দ নয় বলে সরাসরিই জানিয়েছেন অক্ষর প্যাটেলও। দুই অলরাউন্ডার হার্দিক-অক্ষর আইপিএলে যথাক্রমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক। ফলে বিষয়টি নিয়ে ক্যাপ্টেন্স মিটে আলোচনা হওয়া অস্বাভাবিক নয়।
বোর্ডের এক কর্তার কথায়, “ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার ২০২৭ পর্যন্ত থাকবে বলে বিসিসিআই ঘোষণা করেছে। তবে তা নিয়ে অধিকাংশ অধিনায়কই নেতিবাচক মনোভাবের কথা গোপন করেনি। তাঁদের বলা হয়েছে, ২০২৭ সংস্করণ পর্যন্ত ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার থাকছেই। তারপর এই নিয়ে আলোচনা হবে।” অর্থাৎ, অধিনায়করা আপত্তি জানালেও নিজেদের পরিকল্পনা বদল করছে না বিসিসিআই।
এবছর আইপিএল নিয়ে বেশ কিছু নির্দেশিকা দিয়েছে বোর্ড। তার মধ্যে রয়েছে ম্যাচের দিন প্র্যাকটিসে নিষেধাজ্ঞা বা এক দল আগে অনুশীলন করে ফেললেও সেই উইকেটে অন্য দল প্র্যাকটিসের সুযোগ না পাওয়ার মতো বিষয়গুলি। এই নিয়মাবলী আরও স্পষ্ট করার জন্য বোর্ডকে জানানো হয়েছে অধিনায়কদের তরফে। পাশাপাশি বর্তমানে শিশিরের সমস্যা এড়াতে ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ১০ ওভারের পর বল পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। এদিন এক ক্যাপ্টেন প্রথম ইনিংসেও ১০ ওভারের পর বল পরিবর্তনের চালুর পক্ষে সওয়াল করেন। তবে তা নিয়ে বিশেষ আলোচনা হয়নি বলে খবর।
