ওয়াংখেড়েতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হারের পর থেকেই প্রশ্নটা উঠতে শুরু করে দিয়েছে। এই বোলিং নিয়ে কেকেআর কী করবে? আড়াইশো করেও ক্যাপ্টেন নিশ্চিন্তে থাকতে পারবে না। পেসাররা রান দিচ্ছেন। স্পিনারদের অবস্থাও তাই। এরকম পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার ঘরের মাঠে কেকেআর এমন একটা টিমের বিরুদ্ধে নামতে চলেছে, যাদের ব্যাটিং লাইন আপকে পাওয়ার হাউস বললে এতটুকু ভুল হবে না। আর সেই ম্যাচে পছন্দের পিচটাও পাচ্ছে না নাইটরা!
সানরাইজার্স হায়দরাবাদে অভিষেক শর্মা, ট্র্যাভিস হেড, ঈশান কিষান, হেনরিক ক্লাসেনের মতো ব্যাটাররা রয়েছেন। ফ্যাফ ডু'প্লেসিসের মতো প্রাক্তন ক্রিকেটাররা বলছেন, কেকেআরের উচিত ঘরের মাঠে টার্নারে খেলা। যা শোনা গেল, তাতে কেকেআর টিম ম্যানেজমেন্টও নাকি স্পিন সহায়ক উইকেট খেলতে চাইছে। কিন্তু মুশকিল হল, নিজেদের পছন্দ মতো বাইশ গজ চাইলেও, সেটা হয়তো পাবে না কেকেআর টিম ম্যানেজমেন্ট।
গতবার ইডেন কিউরেটরের সঙ্গে বিস্তর কথা কাটাকাটি হয়েছিল কেকেআর ম্যানেজমেন্টের। কিন্তু তাতে অবশ্য ইডেন পিচের চরিত্র বদলায়নি। এখনও পর্যন্ত ইডেন কিউরটরের কাছে পিচ নিয়ে কোনওরকম নির্দেশ আসেনি। কিন্তু সেটা এলেও যে উইকেট বদলে যাবে, তেমন ভাবার কোনও কারণ নেই। বরং ইডেন যেভাবে বরাবার ভালে উইকেট উপহার দিয়ে এসেছে, এবার ঠিক সেটাই হতে চলেছে।
সিএবির কারও কারও বক্তব্য, "অন্য সব মাঠে দুশো রান হচ্ছে। সেখানে ইডেনে এমন পিচ কেন তৈরি হবে যেখানে কম রান উঠবে? তাছাড়া দর্শকরা ভালো ক্রিকেট দেখতে মাঠে আসেন, সেটাও মাথায় রাখতে হবে।" কিউরেটর সুজন মুখোপাধ্যায় বলছেন, "আমার কাছে পিচ নিয়ে কোনওরকম নির্দেশ বা অনুরোধ এখনও আসেনি। একটা কথা বলতে পারি- যে যাই বলুক না কেন, এখানে পিচ ভালো হবে।"
দিনকয়েক আগে একটি সাক্ষাৎকারে ফ্যাফ ডু'প্লেসি বলেছিলেন, “আমি যদি কেকেআর টিম ম্যানেজমেন্টে থাকতাম, তাহলে মাঠকর্মীদের গিয়ে পরিস্কার বলতাম, স্পিন-সহায়ক উইকেট দিতে হবে। বরুণ আর নারিনের মতো স্পিনার রয়েছে কেকেআরে। যারা এই মুহূর্তে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বিশ্বসেরা। এখন কেকেআর যদি এমন পিচে খেলে, যেটা স্পিন-সহায়ক নয়, তাহলে ওরা নিজেদের দুটো বড় অস্ত্র হারাবে।" অন্তত সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে স্পিন সহায়ক উইকেট পাচ্ছে না কেকেআর, এটুকু বলাই যায়।
