মরার উপর খাঁড়ার ঘা! একে তো চার ম্যাচে জয় নেই। ফিরে আসছে পুরনো 'কেকেহার' কটাক্ষ। তার মধ্যে বড়সড় শাস্তিও পেলেন নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে। স্লো ওভার রেটের জন্য জরিমানা দিতে হবে তাঁকে। এদিকে দলের অবস্থা শোচনীয়। কিন্তু রাহানে আত্মবিশ্বাসী। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ৩২ রানে হারের পর তাঁর যুক্তি, একজন ব্যাটার শেষ পর্যন্ত খেলতে পারলেই জয় হাতের মুঠোয় ছিল। তবে পরের ম্যাচে দলে পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দিয়ে গেলেন রাহানে।
এবারের আইপিএলে সব দলই জিতেছে। একটি দল ছাড়া। কীভাবে যে কেকেআর জিতবে, তার উপায় কেউ জানে না। নেহাৎ আইপিএলে অবনমন নেই তাই রক্ষা। লিগ টেবিলে চেন্নাই ছিল নাইটদের ঠিক উপরে। তাদেরকেও ফর্মে ফিরিয়ে দিলেন ক্যামেরন গ্রিনরা। দুয়েকজন বাদে ব্যাটিং-বোলিংয়ে সবাই ব্যর্থ। তবু কার্তিক ত্যাগীর মতো উঠতি বোলাররা ২ উইকেট নিয়ে সিএসকে'র রান হাতের নাগালে যেতে দেননি। কিন্তু ব্যাটারদের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। এদিন গ্রিন-রিঙ্কুদের ব্যর্থতা ও রাহানেদের মন্থর ব্যাটিংয়ের ফল হাতেনাতে পেল কেকেআর।
যা নিয়ে ম্যাচের পর রাহানে বলে গেলেন, "খুব কঠিন সময়। কিন্তু এখন আমাদের ইতিবাচক থাকতে হবে। দলে কী কী পরিবর্তন করা যায়, সেটা ভাবারও সময় চলে এসেছে। অনেক সময় প্লেয়ারদের উপর ভরসা রেখে কাজ হয় না। তখন কম্বিনেশন বদলাতে হয়। তাছাড়া দলের সবাই আত্মবিশ্বাসী। আমরা বল ভালো করেছি। কিন্তু ব্যাটিংয়ে ছন্দ ছিল না। পাওয়ারপ্লেতে মাত্র ৩৬-৩৭ রান করেছি। সেটা পার্থক্য করে দিয়েছে। মাঝের দিকে স্পিনারদের সামলাতে পারিনি। অন্তত একজন ব্যাটারকে শেষ পর্যন্ত খেলতে হত।"
ম্যাচ হারের সঙ্গে জরিমানাও হয়েছে রাহানের। চিপকে স্লো ওভার রেটের জন্য ১২ লক্ষ টাকা জরিমানা দিতে হবে। আইপিএলের ২.২২ ধারা অনুযায়ী এবারের টুর্নামেন্টে এটা তাঁদের প্রথম অপরাধ। ফের একই ঘটনা ঘটলে জরিমানার পরিমাণ বাড়বে। নিয়ম অনুযায়ী ৯০ মিনিটের মধ্যে ইনিংস শেষ করতে হয়। সেটা একবার না হলে অধিনায়কের ১২ লক্ষ টাকা জরিমানা, তারপর দিতে হয় ২৪ লক্ষ টাকা। সঙ্গে প্লেয়ারদেরও জরিমানা হয়। আবার একই ঘটনা ঘটলে অধিনায়কের ৩০ লক্ষ টাকা জরিমানা ও প্লেয়ারদের ১২ লক্ষ টাকা করে জরিমানা বা ম্যাচ ফি’র পঞ্চাশ শতাংশ কেটে নেওয়া হয়।
