মুম্বই ১৪৩-৫ (রিকলটন ১২৩, জ্যাকস ৪৬)
হায়দরাবাদ ২৪৯-৪ (হেড ৭৬, ক্লাসেন ৬৫)
হায়দরাবাদ ৬ উইকেটে জয়ী।
মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিপর্যয় যেন কিছুতেই কাটছে না। এতদিন ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং একসঙ্গে ডোবাচ্ছিল হার্দিক পাণ্ডিয়াদের। এবার একটা বিভাগে ভালো খেললেও অন্য বিভাগে ডুবছেন এমআই পল্টনরা। বুধবার যেমন মুম্বইয়ের ব্যাটিং ভালো করলেও বোলাররা কার্যত ভরাডুবির কারণ হয়ে দাঁড়ালেন। যার ফল, ২৪৩ রান তুলেও ৮ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটে হারের মুখ দেখতে হল মুম্বইকে।
বুধবারের ওয়াংখেড়েতে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন হার্দিক। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করে মুম্বই। প্রথম উইকেটের জুটিতেই তারা তুলে দেয় ৯৩ রান। উইল জ্যাকস করেন ৪৫। অন্যপ্রান্তে রায়ান রিকলটন মাত্র ৫৫ বলে ১২৩ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন। এটাই আইপিএলে কোনও মুম্বই ব্যাটারের সর্বাধিক রান। তাছাড়া মাত্র ৪৪ বলে তিনি সেঞ্চুরির গণ্ডি টপকেছেন। সেটাও মুম্বই ব্যাটারদের মধ্যে দ্রুততম। মূলত রিকলটনের ওই ইনিংস এবং শেষদিকে হার্দিক পাণ্ডিয়ার ১৫ বলে ৩১ রানের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৪৩ রান তোলে মুম্বই।
কিন্তু ওয়াংখেড়ের পিচে এই রানটা কি যথেষ্ট? প্রশ্নটা শুরুতেই দানা বাধা শুরু করে। কারণ মুম্বইয়ের ওই ইনিংসের জবাবে হায়দরাবাদও শুরুটা করে ঝড়ের গতিতে। মাত্র ৮.৪ ওভারেই তাঁরা চলে যায় ১৩০ রানের ঘরে। অভিষেক শর্মা মাত্র ২৪ বলে ৪৫ রান করে আউট হওয়ার পরও মুম্বই বোলারদের তুলোধোনা করার কাজটা চালিয়ে যান ট্র্যাভিস হেড। তিনি মাত্র ৩০ বলে ৭৬ রান তোলেন। ঈশান কিষান এদিন দাঁড়াতে না পারলেও হেনরিখ ক্লাসেন এরপর আরও দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। তিনি মাত্র ৩০ বলে ৬৫ রান করেন। মূলত হেড এবং ক্লাসেনের দুই অনবদ্য ইনিংসে ভর করে ৮ বল বাকি থাকতেই নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সানরাইজার্স।
এদিনের হার মুম্বইয়ের প্লে-অফের অঙ্ক কার্যত ধরাছোঁয়ার বাইরে করে দিল। এ পর্যন্ত ৮টি ম্যাচে মাত্র দু'টিতে জিতেছে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। এদিকে এদিনের জয়ে প্লে অফের আরও কাছে পৌঁছে গেল হায়দরাবাদ। আপাতত ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে তারা লিগ টেবিলের তৃতীয় স্থানে।
