গুজরাট: ১৬২-৬ (গিল ৩৯, বাটলার ৩৮)
পাঞ্জাব কিংস: ১৬৫-৭ (কনোলি ৭২, প্রভসিমরন ৩৭)
পাঞ্জাব কিংস ৩ উইকেটে জয়ী।
একটা সময় মনে হয়েছিল ম্যাচটা পুরোপুরি একপেশেভাবে জিতবে পাঞ্জাব। একটা সময় মনে হয়েছিল প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর ম্যাজিক স্পেলে হারা ম্যাচ জিতে যেতে পারে গুজরাট। কিন্তু দুটোর কোনওটাই হল না। মঙ্গলবার আইপিএলে টিম ইন্ডিয়ার ওয়ানডে অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়কের দলের লড়াইয়ে শেষপর্যন্ত বাজিমাত করল পাঞ্জাব কিংস।
মঙ্গলবার মুল্লনপুরে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় পাঞ্জাব। আইপিএলের আর পাঁচটা পিচের মতো মুল্লানপুরের পিচ মোটেই ব্যাটিং সহায়ক ছিল না। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে গিলের গুজরাট তোলে ৬ উইকেটে ১৬২ রান। গুজরাটের হয়ে সর্বোচ্চ ২৭ বলে ৩৯ রান করেন গিল নিজেই। বাটলার করেন ৩৩ বলে ৩৮ রান। আসলে শুরুর দিকটাই বল ভালো ব্যাটে এলেও ধীরে ধীরে পিচের গতি কমে। যা ভুগিয়েছে ব্যাটারদের।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দারুন করে পাঞ্জাব। প্রথম উইকেট জলদি পড়লেও দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে ওঠে ৭৬ রান। ১২ ওভার ১ বলে ১১০ রানে তৃতীয় উইকেট পড়ে পাঞ্জাবের। এরপর প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর একটা ম্যাজিক্যাল স্পেল। ২ ওভারে মাত্র ৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। ফলে ১১৮ রানের মধ্যেই ৬ উইকেট পড়ে যায় পাঞ্জাবের। ম্যাচে ফিরে আসে গুজরাট। কিন্তু একদিক থেকে যখন একের পর এক উইকেট পড়ছে তখন ধৈর্য ধরে একটা দিকে টিকে ছিলেন এদিন পাঞ্জাবের জার্সিতে অভিষেক করা অজি ব্যাটার কুপার কনোলি। শেষ পর্যন্ত তিনিই ম্যাচটা বের করে দেন। ৭২ রানের দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলেছেন রিকি পন্টিংয়ের ছাত্র। পাঞ্জাব মাত্র ৫ বল বাকি থাকতে ৩ উইকেটে জেতে।
টুর্নামেন্টের শুরুতে জয় প্রীতির পাঞ্জাবকে স্বস্তি দেবে। কারণ এই জয়ের কারিগর কনোলি প্রথম ম্যাচেই নিজের জাত চিনিয়েছেন। জশ ইংলিশের অভাব যে তিনি বুঝতে দেবেন না সেটা এদিনই স্পষ্ট করে দিলেন অজি অলরাউন্ডার।
