তিনি ফিট। এমনকী দরকার পড়লে জাতীয় দল থেকে অবসর ঘোষণা করে দিতেও রাজি। তাও শ্রীলঙ্কা বোর্ড তাঁকে আইপিএলে খেলতে দিতে নারাজ। এই অভিযোগ তুলে এবার বোর্ড কর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিলেন শ্রীলঙ্কার পেসার নুয়ান থুসারা।
এবারের আইপিএলে ১.৬০ কোটি টাকায় শ্রীলঙ্কার তারকা পেসারকে দলে নিয়েছিল আরসিবি। আইপিএলের আগে তাঁর চোটের সমস্যাও ছিল না। তা সত্ত্বেও দ্বীপরাষ্ট্রের বোর্ডের তরফ থেকে আইপিএল খেলার ছাড়পত্র দেয়নি শ্রীলঙ্কা বোর্ড। সূত্রের খবর, বিদেশি লিগে খেলতে আগ্রহী ক্রিকেটারদের জন্য ফিটনেসের বিশেষ মাপকাঠি সাজিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রের বোর্ড। সেই মান পর্যন্ত পৌঁছতে না পারলে ছাড়পত্র পাবেন না শ্রীলঙ্কার কোনও ক্রিকেটার। সেখানেই আটকে গিয়েছেন থুসারা। সে অর্থে বড়সড় চোট না থাকলেও এবারের আইপিএলে খেলা হচ্ছে না তাঁর।
থুসারার দাবি, তাঁর ফিটনেস কেরিয়ারের শুরু থেকে একই রকম। এতদিন খেলতে কোনও সমস্যা হল না। এতদিন জাতীয় দলের হয়েও খেলেছেন, তখনও কোনও সমস্যা হয়নি। অথচ আইপিএলের সময় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁকে আটকে দেওয়া হচ্ছে। এখানেই শেষ নয়, থুসারার দাবি, শ্রীলঙ্কা বোর্ডের সঙ্গে তাঁর চুক্তি শেষ হয়েছে মার্চ মাসেই। তিনি আর সেই চুক্তির নবীকরণ করতে চান না। অবসর ঘোষণা করে দিতে চান। কিন্তু তাও তাঁকে আইপিএলে খেলার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।
থুসারার মনে হচ্ছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁকে আটকে দেওয়া হচ্ছে। সেই অভিযোগে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট শাম্মি সিলভা এবং সচিব বান্দুলা দিশানায়েকের বিরুদ্ধে মামলা করে দিয়েছেন। দাবিটা পরিষ্কার, তাঁকে আইপিএলে খেলার অনুমতি দিতে নির্দেশ দেওয়া হোক বোর্ডকে। থুসারার ওই মামলার দিকে অধীর আগ্রহে তাকিয়ে থাকবেন কেকেআর পেসাররাও। কারণ কেকেআর পেসার মাথিশা পাথিরানাকেও একই যুক্তিতে এনওসি দিচ্ছে না শ্রীলঙ্কা বোর্ড। থুসারা শেষ পর্যন্ত খেলার অনুমতি পেলে পাথিরানাও পেতে পারেন। সেক্ষেত্রে নাইটদের অপেক্ষার অবসান ঘটবে।
