সময়টাকে দু'দশক পিছিয়ে দিন। ভারতীয় ক্রিকেটে আবির্ভূত হলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি (MS Dhoni)। মাঠে নামার সময় ঘাড় পর্যন্ত চলে আসা লম্বা চুলে সোনালি রঙের ছোঁয়ায় মোহিত হয়েছিল আসমুদ্রহিমাচল। কেবল স্টাইল আইকন হিসাবেই নয়, ভারতীয় ক্রিকেটে আমূল বদল আনার কারিগরও এই মানুষটি। সঞ্জু স্যামসনের (Sanju Samson) কাছে ধোনি কেবল সিনিয়র ক্রিকেটার নন, শৈশবের স্বপ্নের নায়কও।
আজ সেই ধোনির সঙ্গে একই ড্রেসিংরুম ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান বলেই মনে করেন সঞ্জু। চেন্নাই সুপার কিংসের পডকাস্টে হাজির হয়ে ক্যাপ্টেন কুলকে নিয়ে আবেগে ভাসলেন তিনি। সঞ্জু তখন চতুর্থ বা পঞ্চম শ্রেণিতে পড়েন। সেই সময়ই প্রথম লম্বা চুলের এক তরুণকে ভারতের হয়ে ব্যাট করতে দেখে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন। সঞ্জু বলেন, "আমি তখন খুব ছোট। প্রথমে ওকে কয়েকটা ম্যাচে আউট হতে দেখেছিলাম। তারপর হঠাৎ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শতরান। এরপর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ১৮৩। তারপর থেকেই ধোনির বড় ফ্যান হয়ে যাই।"
ছবি এক্স।
বাইশ গজে তাঁর নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর ব্যাটিং ও উইকেটকিপিং যেমন জনপ্রিয়, ঠিক তেমনই জনপ্রিয় তাঁর লুক। ধোনির জনপ্রিয়তা যে কীভাবে গোটা দেশকে ছুঁয়ে গিয়েছিল, সে কথাও তুলে ধরেন সঞ্জু। সঞ্জুর কথায়, "ধোনি তখন সর্বত্র বিরাজমান। পোস্টার, বিজ্ঞাপন, মিডিয়া সব জায়গায়। বুস্টের বিজ্ঞাপনও (হেলথ ড্রিঙ্ক) করতেন। আমরা বাড়িতে বুস্ট খেতাম। বোতলে মাহি ভাইয়ের একটা স্টিকার ছিল। আমি সেটা কেটে নিজের ডায়েরিতে লাগিয়ে রেখেছিলাম।"
শুধু ছোটবেলার কথাই নয়, বর্তমানে ধোনির কাছ থেকে নিয়মিত পরামর্শও পান সঞ্জু। সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেন, "আজ আমি ওর সঙ্গে বসে কথা বলি, গেম খেলি, ঘরে গিয়ে যা খুশি জিজ্ঞেস করি। ধোনিও আমাকে পরামর্শ দেয়। এটা স্বপ্নের থেকেও বেশি কিছু। যে কোনও বাচ্চাই এমন স্বপ্ন দেখবে।" চলতি আইপিএলে সঞ্জু এখনও পর্যন্ত ১০ ম্যাচে ৪০২ রান করেছেন। অন্যদিকে, চোটের কারণে এখনও মাঠে নামেননি ধোনি।
