তাঁর নেতৃত্বে দীর্ঘ বিরতির পর ফাইনালে উঠেছিল পাঞ্জাব কিংস। যদিও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে হেরে অল্পের জন্য ট্রফি হাতছাড়া হয়। তিনি শ্রেয়স আইয়ার। গত এক বছরে কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওয়ানডে ম্যাচে প্লীহায় গুরুতর চোট পান তিনি। সমস্ত খারাপ সময় পেরিয়ে আবারও ক্রিকেট মাঠে ফিরেছেন ৩১ বছরের ক্রিকেটার। নতুন মরশুমে অধরা ট্রফিজয়ের লক্ষ্যেই নামছে পাঞ্জাব। তার আগে পাঞ্জাব অধিনায়ক জানিয়েছেন চোটের কারণে ৭ কেজি ওজন কমেছিল তাঁর।
শ্রেয়স আইয়ার বলেন, "চোটের সারিয়ে ফেরা সব সময়ই কঠিন। প্রায় ৭ কেজি ওজন কমে গিয়েছিল। খুবই গুরুতর ছিল চোট। দু'মাসে ফিটনেস ফিরে পেলেও সেই ওজন ফেরাতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। তবে আমি বরাবরই চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসি। এটাও এক ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছি। সেই পর্ব পেরিয়ে ফিরে আসতে পেরে ভালো লাগছে। পাঞ্জাবের জার্সি গায়ে ফের মাঠে নামতে মুখিয়ে আছি।"
ফাইনালে রানার্স-আপ হওয়ার পর সমর্থকদের প্রত্যাশা যে বেড়েছে, তা মানছেন পাঞ্জাব অধিনায়ক। "চাপটাকে উপভোগ করি। মাঠে নামলে জয়ের লক্ষ্য নিয়েই নামি। চোখ ট্রফির দিকেই রয়েছে। তবে প্রত্যাশা অনেক বেশি রয়েছে। সেই চ্যালেঞ্জটা তো নিতেই হবে। মাঠে নামলে জিততেই হবে," বলছেন শ্রেয়স। দলের একতা নিয়েও জোর দেন তিনি।
তাঁর সংযোজন, "এই দুই মাস আমরা পরিবারের মতো থাকি। এখনই তো বন্ধুত্ব তৈরি করার আসল সময়। যত বেশি একে অপরের সঙ্গে কাটাতে পারব, তত ভালো করে জানতে পারব। বেশিরভাগ সময় হোটেলের ঘরে কাটাই। ফিফা বা অন্যান্য গেম খেলি। দু'দিন আগে থেকে ম্যাচের পরিকল্পনা তৈরি হয়। তবে মাঠের বাইরের বোঝাপড়াই শেষ পর্যন্ত ফলাফলে প্রভাব ফেলে।"
