আইপিএল থেকে বিদেশি ক্রিকেটাররা যেন মোটা অঙ্কের টাকা কামাতে না পারেন, তার জন্য একাধিক নিয়ম করা হয়েছে। মেগা টুর্নামেন্ট থেকে ক্রিকেটারদের নিষিদ্ধ করার পথও রয়েছে। কিন্তু কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকরের মতে, শাস্তির পরিমাণ আরও বাড়াতে হবে। বিসিসিআইকে এমন শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে যেন ক্রিকেটাররা প্রভাবিত হন এবং 'স্বেচ্ছাচারিতা'র পথ থেকে সরে আসেন।
চলতি আইপিএলের দিনকয়েক আগেই ইংল্যান্ডের ব্যাটার বেন ডাকেট জানিয়ে দেন, তিনি আইপিএল খেলবেন না। ২ কোটি টাকায় তাঁকে দলে নিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। কিন্তু দল পাওয়ার পরেও না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ফলে অন্তত ২ বছরের জন্য আইপিএল থেকে নির্বাসিত হবেন তিনি। শাস্তির কথা জেনেও ডাকেট যেভাবে সরে দাঁড়িয়েছেন তাতে ক্ষুব্ধ গাভাসকর। কয়েকদিন আগেও আইপিএলে খেলা বিদেশি ক্রিকেটারদের তোপ দেগেছিলেন তিনি। এবার ভারতীয় বোর্ডকে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, বিদেশিদের জন্য আরও কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
গাভাসকরের মতে, "অ্যাশেজে ডাকেট ভালো খেলেছিল। আইপিএলে দল পেয়েছে। তারপর দ্য হান্ড্রেডে ভালো দাম পেয়েছে। সেকারণেই এখন ও ভাবছে, আইপিএল দরকার নেই। বরং আসন্ন টেস্ট সিরিজে মন দেওয়া উচিত। কিন্তু হান্ড্রেডে যদি ভালো দর না পেত তাহলে হয়তো ছবিটা অন্যরকম হত।" সানির মতে, এই ঘটনা থেকে বিসিসিআইয়ের নড়েচড়ে বসা উচিত। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, নিলামে বিক্রি হওয়ার পরে যদি কোনও ক্রিকেটার সরে দাঁড়ান তাহলে পরের দুটি অকশন থেকে তাঁকে নির্বাসিত করা হবে।
এই নিয়ম থাকা সত্ত্বেও চলতি আইপিএল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ডাকেট। গতবার একই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইংরেজ তারকা হ্যারি ব্রুকও। গাভাসকরের মতে, "দু'বছর নির্বাসনের শাস্তি মোটেই যথেষ্ট নয়। এমন কিছু করতে হবে যার প্রভাব অনুভব করেন ক্রিকেটাররা। আইপিএল না খেলার দরুণ ক্রিকেটাররা যদি ক্ষতি অনুভব না করেন, তাহলে শাস্তির কোনও মানে নেই।" উল্লেখ্য, চলতি আইপিএলে ব্যক্তিগত কারণে অনেকে ‘মর্জিমতো’ খেলতে আসবেন বলে ঠিক করছেন। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের পেসাররা আইপিএলের মাঝপথেই বিশ্রাম চাইছেন। দিনকয়েক আগে তাঁদেরও কটাক্ষ করেছিলেন গাভাসকর।
