১৫ বছর ধরে যে পরিমাণ ক্রিকেট খেলেছি, তাতে সবসময় ভয় থাকে এই বুঝি ফুরিয়ে যাব! সদ্য ৩৮ বলে ৬৯ রানের বিধ্বংসী ম্যাচ জেতানো ইনিংসটা খেলার পর কথাগুলো বলছিলেন বিরাট কোহলি। কিং কোহলি আরও বললেন, "ক্রিকেটার হিসাবে আমি সবসময় চাই দলের জয়ে অবদান রাখতে। সেটা যদি না পারি, তাহলে জায়গা ধরে রাখার মানে হয় না।" কথাগুলি শোনার পর বিরাট কোহলির ভক্তদের হৃদকম্প বেড়ে যেতেই পারে। কিং কোহলি, গোটা বিশ্বের বোলাররা যাকে যমের মতো ভয় পায় তিনি কিনা ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন। তাহলে কি শেষের সে দিন আর বেশি দেরি নেই?
টেস্ট আর টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেওয়ার পর ক্রিকেট মাঠে বিরাট কোহলির উপস্থিতি অনেক কমে গিয়েছে। টি-২০ ক্রিকেটে শেষবার খেলেছিলেন গত আইপিএলের ফাইনালে। সেই কবে জানুয়ারিতে জাতীয় দলের জার্সিতে খান তিনেক ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিলেন। তারপর কেবলই অপেক্ষা। অবশেষে আইপিএলের প্রথম ম্যাচে ফের বাইশ গজে পাওয়া গেল প্রাক্তন ভারত অধিনায়ককে। হায়দরাবাদ বোলিংয়ে শাসন করলেন ৩৮ বলে অপরাজিত ৬৯ রানের দুরন্ত ইনিংসে। বাউন্ডারি-ওভার বাউন্ডারি পাঁচটা করে। ৩৩ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করে পরের পাঁচ বলে করলেন আরও ১৯ রান।
চিন্নাস্বামীতে দুরন্ত ইনিংস খেলে বিরাট বলছিলেন, 'টি টোয়েন্টিতে শেষ ম্যাচটা খেলেছি গতবারের আইপিএল ফাইনাল। ফলে ওয়ান ডে সিরিজগুলো আমাকে মোমেন্টাম ধরে রাখতে সাহায্য করেছে। যদি ছন্দ থাকে এবং ফিটনেস নিয়ে ঠিকঠাক কাজ করতে পারি, তাহলে সমস্যা হবে না জানতাম। তবে গত ১৫ বছরে যতটা ক্রিকেট খেলেছি, ক্লান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকেই। তাই এই বিরতিগুলো সাহায্যই করে। ফ্রেশ থাকতে পারি। ক্রিকেট নিয়ে আমার মধ্যে যেন উত্তেজনাটা থাকে"
বিরাট বলছিলেন, "গত ১৫ বছরে যতটা ক্রিকেট খেলেছি, ক্লান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকেই। তাই এই বিরতিগুলো সাহায্যই করে। ফ্রেশ থাকতে পারি। ক্রিকেট নিয়ে আমার মধ্যে যেন উত্তেজনাটা থাকে"
তবে ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলেও এখনও মাঠে নিজের সেরাটা দিতে চান বিরাট। তিনি বলছেন, "মাঠে নেমে ১২০ শতাংশ দিতে পারি। তৈরি না হয়ে খেলতে আসাটা আমার পছন্দ না। দলের কাজে লাগাটাই লক্ষ্য থাকে।" নিশ্চিতভাবেই নিজের ১৯তম মরশুমের প্রথম ম্যাচ সেদিক থেকে সন্তুষ্ট করবে বিরাটকে।
