অজিঙ্ক রাহানে বরাবরই খুব চুপচাপ। খুব বেশি কথা বলেন না। পারলে বিতর্ক থেকে কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরে থাকেন। কিন্তু এবারের আইপিএলে প্রবল সমালোচনা এবং চাপের মুখে খানিক স্বভাববিরুদ্ধভাবে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন কেকেআর অধিনায়ক। সাংবাদিক বৈঠকে এক হাত নিয়েছেন সমালোচকদের। যা নিয়ে এবার রাহানেকে তুলোধোনা করলেন বীরেন্দ্র শেহওয়াগ। তাঁর সাফ কথা, সব সমালোচনার জবাব দেওয়া ক্রিকেটারদের কাজ নয়।
গত সপ্তাহে ইডেনে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে হারের পর রাহানেকে চেপে ধরেন সাংবাদিকরা। প্রশ্ন ওঠে তাঁর স্ট্রাইক রেট নিয়ে। ক্যামেরন গ্রিনের বল না করা নিয়ে। তার জবাবে নাইট অধিনায়ক একপ্রকার মেজাজ হারিয়ে ফেলেন। স্পষ্ট বলে দেন, “নিজে জানি আমি কী করছি। নিজের উপর সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। ২০২৩ থেকে আমার স্ট্রাইক রেট যথেষ্ট ভালো। তাই বাইরে থেকে কে কী বলছেন, সেটা নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবছি না। কিন্তু যাঁরা বলছেন, তাঁরা হয় ক্রিকেটটা বোঝে না। না হয় আমাকে নিয়ে হিংসা করে। অনেকে হয়তো চায় না যে আমি আর খেলি।”
কিন্তু স্বভাববিরুদ্ধভাবে রাহানের ওই ফুঁসে ওঠা পছন্দ হয়নি প্রাক্তন ভারত ওপেনার বীরেন্দ্র শেহওয়াগের। তিনি সাফ বলেছেন, "আমার মনে হয় না ক্রিকেটারদের এসব বলা উচিত। মানুষ আপনার প্রশংসা করবে, আপনার সমালোচনাও করবে কিন্তু দুই ক্ষেত্রেই তোমাকে নীরবে থাকতে হবে। কী দরকার অহেতুক ঝামেলায় জড়ানোর।" শেহওয়াগ বলছেন, "আজকের ক্রিকেটাররা দেখি সমালোচকদের জবাব দেয়। অমিতাভ বচ্চনেরও লোকে সমালোচনা করে। কিন্তু তিনি তো জবাব দেন না। সবচেয়ে বড় উদাহরণ শচীন তেণ্ডুলকর। একটা সংবাদপত্র তো তাঁর নাম 'এন্ডুলকর' করে দিয়েছিল। তাও তিনি চুপ ছিলেন।"
শেহওয়াগ বলছেন, "আজকের ক্রিকেটাররা দেখি সমালোচকদের জবাব দেয়। অমিতাভ বচ্চনেরও লোকে সমালোচনা করে। কিন্তু তিনি তো জবাব দেন না। সবচেয়ে বড় উদাহরণ শচীন তেণ্ডুলকর। একটা সংবাদপত্র তো তাঁর নাম 'এন্ডুলকর' করে দিয়েছিল। তাও তিনি চুপ ছিলেন।"
রাহানেকে শেহওয়াগের পরামর্শ, "আমার মনে হয়, চুপ থাকো। একটা সেঞ্চরি করো। সকলে চুপ করে যাবে। চুপচাপ নিজের কাজটা করে যাও। এটাই উত্তর দেওয়ার সেরা উপায়।"
