আইপিএল ফাইনাল চলাকালীন আহমেদাবাদে হবে আইসিসির বৈঠক। সূচি অনুযায়ী, ২১ মে চিফ এক্সিকিউটিভ কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠক হবে। ৩০ ও ৩১ মে বোর্ডের আহমেদাবাদে হবে বৈঠক। সেখানে বোর্ডের সদস্যরা সশরীরে উপস্থিতি থাকবেন। এরমধ্যে ৩১ মে আইপিএল ফাইনাল। প্রশ্ন হল, আইসিসির সদস্য হওয়ায় পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি কি এই বৈঠকে যোগ দেবেন?
মার্চ-এপ্রিল মাসে কাতারের দোহায় এই বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তা পিছিয়ে যায়। এবার সেই বৈঠক ভারতে আনা হয়েছে। আহমেদাবাদের সেই বৈঠকে আইসিসি বোর্ডের সব সদস্যকেই যোগ দিতে হবে। হিসাব মতো সেই বৈঠকে পিসিবি চেয়ারম্যানের নকভির উপস্থিত থাকার কথা। কিন্তু ভারত-পাকিস্তান সরকারের দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন এবং দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্কের অবনতির কারণে তাঁর ভারতে আসা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। সেই কারণেই সীমান্ত পেরিয়ে তাঁর ভারতে আসার অনুমতি পাওয়া নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।
এদিকে পাকিস্তানের এক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩১ মে আহমেদাবাদে ফাইনালে আমন্ত্রিত নকভি। যদিও এই খবরের সত্যতা যাচাই করা হয়নি। আইপিএলের দ্বিতীয় মরশুম অর্থাৎ ২০০৯ সাল থেকে নিষিদ্ধ পাক ক্রিকেটাররা। এই পরিস্থিতিতে বিসিসিআই বা আইসিসির পক্ষ থেকে এখনও এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। তবে নকভির দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শীতল রয়েছে পাকিস্তানের। এমনকী গত বছর এশিয়া কাপ ফাইনালের পর ট্রফি নিয়ে পালিয়ে যান তিনি। পাকিস্তানকে হারিয়ে ট্রফি জেতার পর সেই ট্রফি আজও পাননি সূর্যকুমার যাদবরা।
এই পরিস্থিতিতে আরও এক প্রশ্ন হল, আইসিসির বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য নকভি কি ভিসা পাবেন? আর ভিসা পেলে কি তিনি সঙ্গে করে এশিয়া কাপ ট্রফি এনে বিসিসিআইয়ের হাতে তুলে দেবেন? উল্লেখ্য, ওই ট্রফি এখন দুবাইয়ে সংরক্ষিত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পরবর্তীতে এই ইস্যু আইসিসির কাছে তোলা হয়। তাছাড়াও নকভি একাধিকবার দাবি করেছেন, পাকিস্তান সুপার লিগ ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক দিক থেকে আইপিএলকে ছাড়িয়ে যাবে। এই মন্তব্য নিয়ে তুমুল চর্চাও হয়। তাছাড়াও তাঁর ভারতবিদ্বেষী মনোভাবও সকলের জানা। সেই কারণে 'ট্রফি চোর' নকভি ভারতে এলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে।
