রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তাঁর ইউটিউব চ্যানেলের জনপ্রিয়তা ব্যাপক। এদেশের আরও কোনও খেলার চ্যানেলের এত বেশি ফলোয়ার নেই। এবার সেই চ্যানেলেই প্রাক্তন তারকা অফস্পিনার পরিষ্কার জানালেন, একটি টিমের ড্রইংরুমে তিনি ঢুকতে চান যেনতেনপ্রকারেণ। এবং সেজন্য অর্থ খরচ করতেও তাঁর আপত্তি নেই! জানিয়ে রাখা ভালো, টিম ইন্ডিয়া কিংবা সিএসকে সেই টিমের নাম নয়। তাহলে?
আসলে অশ্বিন ঢুকতে চান কিউই ড্রয়িংরুমে। না, অবসর ভেঙে নিউজিল্যান্ডের হয়ে বোলিং করার শখ নেই তাঁর। ভারতের সঙ্গে সিরিজে প্রথম ওয়ানডেতে যেভাবে হাত থেকে বেরিয়ে যাওয়া ম্যাচে 'কামব্যাক' করেছিলেন জেমিসনরা তা দেখে মুগ্ধ অশ্বিন। কেএল রাহুল শেষ সময়ে ‘ফিনিশারে’র ভূমিকা পালন না করলে অঘটন ঘটিয়েই ফেলতে পারত নিউজিল্যান্ড। যা দেখে মুগ্ধ একসময় ভারতের ম্যাচ উইনার। তাঁকে আরও যেটা মুগ্ধ করছে তা হল, এই দলে শীর্ষবাছাই তারকাই অনুপস্থিত। কিন্তু সেটা কিউইয়ের পারফরম্যান্স দেখে বোঝার জো নেই।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে এই নিয়ে বলতে গিয়ে অশ্বিন জানান, ''শীর্ষস্থানীয় বহু দলই বিশ্লেষণধর্মী পদ্ধতির ওপর খুব একটা ভরসা করে না। কিন্তু নিউজিল্যান্ড অত্যন্ত বিশ্লেষণধর্মী দল। আমার ইচ্ছা করছে, দলটার মাঝে বসে ওদের পরিকল্পনা পর্যবেক্ষণ করতে পারব। প্রয়োজনে এর জন্য আমি টাকা দিতেও রাজি। ওরা যেভাবে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত করে, তা বোঝার জন্য ওদের দলীয় বৈঠকে উপস্থিত থাকতে যে কোনও মূল্য দিতে রাজি আমি।''
সেই সঙ্গেই তিনি বলেন, ''যেভাবে লড়াকু মনোভাব দেখিয়েছে নিউজিল্যান্ড, সেজন্য কৃতিত্ব দিতেই হবে। শেষ পর্যন্ত হাল না ছাড়ার জন্যই ওরা ম্যাচে ফিরতে পেরেছিল।'' নিউজিল্যান্ডের প্রশংসার পাশাপাশি কোহলিদের সামান্য সমালোচনাই করেছেন অশ্বিন। তাঁর মতে, এদিন টিম ইন্ডিয়ার খেলায় অনেক গলদ ছিল। কিন্তু যেভাবে হর্ষিত রানা ব্যাটে-বলে দলকে সাহায্য করেছেন, তা নিয়েও আলাদা করে বক্তব্য রেখেছেন প্রাক্তন তারকা।
প্রসঙ্গত, ওয়াশিংটন সুন্দর আহত হওয়ায় হর্ষিত রানা এদিন ব্যাট করতে নামেন সাতে। ২৩ বলে ২৯ রানের মহামূল্যবান ইনিংস খেলে যান তিনি। বল হাতে পান দুই উইকেট। এদিকে কেএল রাহুল যেন প্রতি ম্যাচে ‘ডিপেন্ডবল’ হওয়ার প্রমাণ দিয়ে চলেছেন। তা সে তাঁকে যে নম্বরেই নামানো হোক। তিনি নিজের কাজটা করে চলেছেন। এদিনও চাপের মুখে মাথা ঠান্ডা রেখে ম্যাচটাকে শেষের দিকে নিয়ে গেলেন। আর ৪৯তম ওভারের শেষ তিন বলে ৪,৪,৬-এ ভারতকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন।
