সময়টা ‘শুভ’ যাচ্ছে না শুভমান গিলের। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে ব্যর্থতার পর তাঁকে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার নির্দেশ দেয় ভারতীয় বোর্ড। কিন্তু দুই ইনিংসেই রানের দেখা নেই গিলের ব্যাটে। রনজি ট্রফিতে দু'দিনের মধ্যে হেরে গেল তাঁর দলও। ঠিক তাঁর উলটো ছবি সরফরাজ খানের। মুম্বইয়ের ব্যাটার ডবল সেঞ্চুরি করে আবারও 'বঞ্চনা'র জবাব দিলেন। এরপরও কি জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন হবে সরফরাজের?
রনজিতে মুখোমুখি হয়েছিল পাঞ্জাব বনাম সৌরাষ্ট্র। অর্থাৎ গিল এবং জাদেজা একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিলেন। যে ম্যাচটা চলল মাত্র দু'দিন। সৌরাষ্ট্র জিতল ১৯৪ রানে। প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় ইনিংসে রানের দেখা পেলেন জাড্ডু। কিন্তু গিলের দুরবস্থা ঘুচল না। পাঁচ নম্বরে নেমে দলকে বাঁচাতে পারেননি শুভমানও। রানের খাতা না খুলেই পার্থ ভুটের স্পিনে ঠকে এলবিডব্লিউ হন ডানহাতি ব্যাটার। মাত্র দু’বল খেলেছেন তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসে করলেন মাত্র ১৪ রান। এবারও তাঁকে আউট করলেন ভুট। নিজেকে চার নম্বরে তুলে এনেও নিজের ও দলের পতন আটকাতে পারলেন না পাঞ্জাব অধিনায়ক গিল। ৫টি করে উইকেট ভুট ও ধর্মেন্দ্রসিং জাদেজার।
অন্যদিকে রানের ধারা অব্যাহত সরফরাজ খানের। রনজি হোক বা বিজয় হাজারে ট্রফি, তিনি আগুনে ফর্মে ব্যাট করে চলেছেন। মুম্বই দলে যশস্বী জয়সওয়াল ও অজিঙ্ক রাহানে খেলছেন না। সেটা বুঝতে দিলেন না সরফরাজ। মহম্মদ সিরাজের হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে তিনি করলেন ২১৯ বলে ২২৭ রান। ১৯টি চারের পাশাপাশি ছিল ৯টি ছক্কা। সেঞ্চুরি করেন সিদ্ধেশ লাডও। মুম্বইয়ের ইনিংস থামে ৫৬০ রানে। জবাবে হায়দরাবাদও ভালোই খেলছে। ২ উইকেট হারিয়ে তাদের রান ১৩৮।
রনজির আরেক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ঝাড়খণ্ড ও উত্তরপ্রদেশ। সেখানে গুরুতর চোট পেয়েছেন প্রশান্ত বীর। যাঁকে ১৪.২ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছে চেন্নাই সুপার কিংস। জানা গিয়েছে, ২০ বছর বয়সি অলরাউন্ডার কাঁধের পেশির গ্রেড ২ ছিঁড়ে গিয়েছে। তাঁকে অন্তত তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে। ফলে আইপিএলে তাঁকে পেতে অসুবিধা হবে না।
