সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাদা বলের ক্রিকেটে তিনি ফিনিশারের ভূমিকা পালন করেন। এবার রনজি ট্রফিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রিঙ্কু সিং। বলা চলে, দলকে খাদের কিনারা থেকে উদ্ধার করে বড় সেঞ্চুরি হাঁকালেন উত্তরপ্রদেশের এই ক্রিকেটার। এমন ইনিংসের পর নীরবে নির্বাচকদের বার্তাও দিয়ে রাখলেন।
ন'বছর আগে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল রিঙ্কুর। সব মিলিয়ে ৫২টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে সাড়ে তিন হাজারের বেশি রান রয়েছে তাঁর। ৯টি সেঞ্চুরি-সহ গড় ৫৯.০৭-এর কাছাকাছি। এই পরিসংখ্যানই বুঝিয়ে দিচ্ছে লাল বলের ক্রিকেটে সমান পারদর্শী রিঙ্কু। কিন্তু বাঁহাতি এই ক্রিকেটারকে 'টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট' হিসাবেই ভাবা হয়।
প্রথমে ব্যাট করে ৪৫৫ রানের পাহাড় গড়ে তামিলনাড়ু। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৯১ রানে ৫ উইকেট খুইয়ে বেশ চাপে পড়ে যায় উত্তরপ্রদেশ। খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে থাকা দলকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন রিঙ্কু। সেখান থেকে কাউন্টার অ্যাটাক। শেষ পর্যন্ত ২৪৭ বলে ১৭৬ করে আউট হন তিনি। তাঁর ইনিংস সাজানো ১৭টি চার এবং ৬টি বিশাল ছক্কায়। এটাই তাঁর প্রথম শ্রেণির কেরিয়ারের সর্বোচ্চ রান।
ক্রিকেটের আলোকবৃত্তে আসতে যথেষ্ট লড়াই করতে হয়েছিল রিঙ্কু সিংকে। একটা সময় ক্রিকেট ছেড়ে ঝাড়ুদারের চাকরি পর্যন্ত করতে হয়েছিল তাঁকে। এহেন রিঙ্কু টিম ইন্ডিয়ার সাদা বলের ক্রিকেটের অন্যতম সম্পদ। কিন্তু তাঁকে কখনও টেস্টে সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমনকী ভারত 'এ' দলের হয়েও সুযোগ পান না। প্রসঙ্গত, রিঙ্কুর ইনিংসে ভর করে উত্তরপ্রদেশ ৫ রানের লিড নিয়ে ৪৬০ রান করে। দ্বিতীয় ইনিংসে তামিলনাড়ুর রান যখন ২ উইকেটে ১০৩, খেলা শেষ ঘোষণা করেন আম্পায়াররা। ম্যাচ ড্র হওয়ায় প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবার ৩ পয়েন্ট এল উত্তরপ্রদেশের ঝুলিতে। এখন দেখার, এমন অসামান্য ইনিংসের পর টেস্টে সুযোগ পান কি না তিনি।
