এমনিতে তিনি রাজনীতি থেকে শতহস্ত দূরে। দলীয় রাজনীতি তো দূর, কোনও রাজনৈতিক বা বিতর্কিত বিষয়েও নিজের মতামত দেন না। সেই শচীন তেণ্ডুলকরই কিনা আমন্ত্রণপত্র হাতে সপরিবারের দেশের প্রথম সারির রাজনীতিবিদদের দুয়ারে দুয়ার ঘুরছেন। এতক্ষণ পড়ে মনে হতেই পারে, ক্রিকেট ঈশ্বর হয়তো কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে মাঠে নেমেছেন। কিন্তু ব্যাপারটা একেবারেই তেমন নয়। শচীন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বাড়িতে গিয়েছেন নিজের ছেলের বিয়ের নিমন্ত্রণ করতে।
গত বছর ১৩ আগস্ট চুপিসারে বাগদান সেরেছিলেন শচীন তেণ্ডুলকরের পুত্র। ছোট্ট এক অনুষ্ঠানে সানিয়া চন্দোকের সঙ্গে বাগদান করেছেন শচীনপুত্র। তবে দুই পরিবারের তরফ থেকে বিষয়টিকে সেভাবে চর্চায় আনা হয়নি। বাগদানের পর প্রায়ই শচীনকন্যা সারার সঙ্গে দেখা গিয়েছে সানিয়াকে। এবার সাতপাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন অর্জুন। জানা গিয়েছে, আগামী ৫ মার্চ বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন অর্জুন। ডেস্টিনেশন ওয়েডিং নয়, নিজের শহর মুম্বইতেই গাঁটছড়া বাঁধবেন শচীনপুত্র।
ছেলের বিয়ের আমন্ত্রণপত্র নিয়েই এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দুয়ারে যান শচীন। সঙ্গে স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে, হবু পুত্রবধূ এবং তাঁর মা-বাবা সকলেই ছিলেন। অর্জুনের বিয়েতে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রন জানিয়ে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “অর্জুন ও সানিয়ার বিয়েতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজিকে আমন্ত্রণ জানাতে পেরে আমরা গর্বিত। তরুণ দম্পতির জন্য আপনার আশীর্বাদ ও মূল্যবান পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।” পরে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বাড়িতেও যান শচীন। বিরোধী দলনেতাকেও আমন্ত্রণ জানান।
অবশ্য এই আমন্ত্রিতদের তালিকা বেশ লম্বা। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, এমন অনেককেই ছেলের বিয়েতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মাস্টার ব্লাস্টার।
