পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের দলে নেওয়ার অর্থ ভারতীয় সেনা এবং আমজনতার রক্ত ঝরানো! দ্য হান্ড্রেড লিগে পাক স্পিনার আবরার আহমেদকে দলে নেওয়ায় বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকর। জানিয়েছিলেন, ওই টাকায় বন্দুক কিনে ভারতীয়দের মারার শামিল সেটা। অথচ গত বছর এশিয়া কাপ চলাকালীন পাকিস্তানি ক্রিকেট শো-তে হাজির হয়েছিলেন সানি। যার জন্য নিশানাও করা হয়েছে তাঁকে। এবার তার জবাব দিয়েছেন গাভাসকর।
সমালোচনার মুখে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে সানি বলেন, “আমি আইসিসি ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের ধারাভাষ্য প্যানেলে রয়েছি। ওরা যে অনুষ্ঠানে যেতে বলবে, আমাকে সেখানে যেতে হবে। এই দুই সংস্থার লভ্যাংশ প্রত্যেক দেশ পায়। আমি ওদের কাছ থেকে কোনও টাকা নিইনি। কাউকে টাকাও দিইনি। বুঝতে পারছি না, কীভাবে আমাকে দোষারোপ করা হচ্ছে।"
আবরার ইস্যুতে আবারও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। গাভাসকরের কথায়, "অন্য খেলার কথা বলতে পারব না। আমি শুধু চাই, ক্রিকেটে ভারতীয়রা মালিকরা পাকিস্তানিদের অর্থ দেওয়া বন্ধ করুক। দশকের পর দশক ধরে উলটো ছবিটা তো দেখা যায় না। তাহলে আমরা ওদের টাকা দেব কেন?" উল্লেখ্য, নিলামে আবরারকে ২ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকায় কিনেছিল সানরাইজার্স। এরপরেই শুরু হয় বিতর্ক।
‘সানরাইজার্স লিডস’ আবরারকে দলে নেওয়ার পর একটি সংবাদপত্রের কলামে এর আগে গাভাসকর লিখেছিলেন, “ভারতীয় মালিকানাধীন ফ্র্যাঞ্চাইজি যদি পাকিস্তানের ক্রিকেটারকে দলে নেয়, তাহলে সমালোচনা হওয়াটা খুব একটা আশ্চর্য ব্যাপার নয়। ২৬/১১ হামলার পর থেকেই আইপিএলে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের খেলা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তারপর থেকেই ভারতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলি পাক ক্রিকেটারদের এড়িয়েই চলেছে। তার নেপথ্যে কারণ রয়েছে। দল থেকে যে অর্থ পাক ক্রিকেটারদের দেওয়া হয়, সেই অর্থই ক্রিকেটাররা কর হিসাবে পাক সরকারকে দেন। করের অর্থে পাকিস্তান অস্ত্র কেনে, সেই অস্ত্র ব্যবহার হয় ভারতের উপর আক্রমণ করার জন্য।”
