ম্যাচ প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে। মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। আর সেই ম্যাচের দিকে তাকিয়ে ইডেন। তাকিয়ে সিএবি। আসলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে গ্রুপ 'টু'-র যা পরিস্থিতি, শুক্রবার ইংল্যান্ডকে হারালেই সেমিফাইনালে চলে যাবে নিউজিল্যান্ড। সেটা হলেই ইডেন গার্ডেন্সে খেলা হবে বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনাল।
ইডেনে কি সেমিফাইনাল আদৌ হবে? বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রশ্নটা ঘোরাফেরা করছে। তবে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আইসিসির বেশ কয়েকটি শর্ত মাথায় রাখা প্রয়োজন। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা জানিয়েছিল, পাকিস্তান যেহেতু ভারতে খেলবে না, তাই পাক ব্রিগেড সেমিফাইনাল এবং ফাইনালে উঠলে সেই ম্যাচগুলি শ্রীলঙ্কাতে খেলা হবে। এছাড়াও বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হিসাবে ঘরের মাঠে সেমিফাইনাল খেলার সুযোগ পাবে শ্রীলঙ্কা।
গ্রুপ' টু' থেকে ইংল্যান্ড ইতিমধ্যেই শেষ চারে পৌঁছে গিয়েছে। দ্বিতীয় দল হিসাবে কিউয়িরা উঠে এলেই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। আর আইসিসি-র ঘোষণা অনুযায়ী, এশিয়ার এই দুই দেশ যদি সেমিফাইনালে ওঠে তাহলে ম্যাচ হবে কলম্বোয়। কিন্তু শ্রীলঙ্কা বা পাকিস্তানের মধ্যে একটাও দল যদি সেমিতে না ওঠে তাহলে ম্যাচ পেয়ে যাবে ইডেন। অর্থাৎ শুক্রবার কিউয়িরা জিতলেই ৪ মার্চ নন্দনকাননে আয়োজিত হবে আরও একটা ম্যাচ। উল্লেখ্য, ভারত সেমিফাইনালে খেলবে কিনা সেটাও নির্ধারিত হবে ইডেনেই।
শুক্রবার কিউয়িরা খুব একটা বড় ব্যবধানে না হারলেই কার্যত পৌঁছে যাবে শেষ চারে। কারণ শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে পয়েন্টের বিচারে নিউজিল্যান্ডকে ধরার সুযোগ পাকিস্তানের থাকলেও তারা রান রেটে অনেকটা পিছিয়ে। আর এই ম্যাচে যদি ইংল্যান্ড জেতে, আর পরের ম্যাচে শ্রীলঙ্কা হারিয়ে দেয় পাকিস্তানকে, তাহলেও সেমিফাইনাল পাবে ইডেন। কারণ সেক্ষেত্রে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড সেমিফাইনালে যাবে এই গ্রুপ থেকে। সবমিলিয়ে, ইডেনে বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তাই বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীদের নজর শুক্রবার পড়ে থাকবে কলম্বোয়।
