তাঁর কোচিংয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠেছিল ভারত। কিন্তু তীরে এসেও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়দের তরী ডুবে যায়। ২৩ বছর আগের সেই ভারতীয় কোচ এখন পুরোদস্তুর কিউয়ি সমর্থক। তাঁর দেশ ইতিমধ্যেই আপামর ক্রিকেটপ্রেমীর হৃদয় জিতে নিয়েছে। এবার তিনি চাইছেন, হৃদয়ের পাশাপাশি কাপও জিতে আসুক নিউজিল্যান্ড। তিনি-ভারতীয় দলের প্রাক্তন হেডস্যর জন রাইট। যিনি একটা সময়ে নিউজিল্যান্ডকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, কোচিংও করেছেন। আবার ভারতের কোচ হয়ে ২০০৩ বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডকেও হারিয়েছেন।
রবিবার টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। চলতি বিশ্বকাপে দুই দল একবারও মুখোমুখি হয়নি। ফাইনালের আগে রাইট বলছেন, "ম্যাচটা দেখতে মুখিয়ে রয়েছি। আমি মনে করি এটাই আমাদের বিশ্বকাপ জেতার সুবর্ণ সুযোগ। নিউজিল্যান্ড কোনওদিন বিশ্বকাপ জেতেনি। আইসিসি ট্রফিও সেভাবে আসেনি নিউজিল্যান্ডে। আমরা শুধু হৃদয় জিতেছি। আশা করি এবার সেটা পালটাবে।"
রাইটের মতে, দুই দলের কাছেই ম্যাচ জেতার প্রচুর সুযোগ রয়েছে। তাই রবিবারের আহমেদাবাদে দারুণ হাড্ডাহাড্ডি একটা ম্যাচ হবে। কিন্তু 'ছাত্র' ভারত নয়, মাতৃভূমি নিউজিল্যান্ডের জন্যই গলা ফাটাবেন রাইট।
রাইট বলছেন, "আমি এখন নিউজিল্যান্ডেই আছি। বিশ্বকাপ নিয়ে এখানে সকলেই বেশ উত্তেজিত। রাত জেগে সকলে খেলা দেখবে। আসলে এবার নিউজিল্যান্ডের স্কোয়াড খুবই শক্তিশালী। দলে ভারসাম্য রয়েছে। অধিনায়ক হিসাবেও খুব বুদ্ধিদীপ্ত কাজ করছে মিচেল স্যান্টনার। ওর অধিনায়কত্ব খুব ভালো হচ্ছে। তাই ভারতের পক্ষে ম্যাচ খুব একটা সহজ হবে না। আমরা এতদিন পর্যন্ত শেষ গাঁটটা পেরতে পারছিলাম না। তবে আশা করি এবার পারব। ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয় আর ট্রফি দু'টোই এবার জিতব।"
ভারতকেও অবশ্য বেশ পছন্দ করেন প্রাক্তন হেডস্যর। ম্যাচের আগে বলছেন, "ভারত সবসময় আমার হৃদয়ের খুব কাছে থাকবে। এই ইন্ডিয়া টিমেও মুম্বইয়ের অনেকে রয়েছে। সূর্যকুমার যাদবও বেশ ভালো অধিনায়কত্ব করেছে।" রাইটের মতে, দুই দলের কাছেই ম্যাচ জেতার প্রচুর সুযোগ রয়েছে। তাই রবিবারের আহমেদাবাদে দারুণ হাড্ডাহাড্ডি একটা ম্যাচ হবে। কিন্তু 'ছাত্র' ভারত নয়, মাতৃভূমি নিউজিল্যান্ডের জন্যই গলা ফাটাবেন রাইট। উল্লেখ্য, টি-২০ বিশ্বকাপে একবারও নিউজিল্যান্ডকে হারাতে পারেনি ভারত। রবিবার কি ছবিটা পালটাবে?
