এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম অঘটন ঘটাল জিম্বাবোয়ে। শ্রীলঙ্কার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে ২৩ রানে হারালেন সিকান্দর রাজারা। বিশ্বকাপে এখনও বহু লড়াই বাকি। তবে জিম্বাবোয়ের এই জয়ে আশার আলো দেখছেন ভারতের ক্রিকেটভক্তরা। কপিল দেব, মহেন্দ্র সিং ধোনিদের পথ ধরে সূর্যকুমার যাদবের হাতে ট্রফি দেখছেন অনেকে। কিন্তু কীভাবে জিম্বাবোয়ের সঙ্গে ভারতের ট্রফিজয়ের আশা যুক্ত?
ফেরা যাক কুড়ি বছর আগের একদিনে। ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অভিষেক লগ্নে অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল জিম্বাবোয়ে। তারপর অনেক জল গড়িয়েছে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটও আরও আধুনিক হয়েছে। কিন্তু অজিদের দেখলে আফ্রিকার দেশটির জ্বলে ওঠার গল্পটা একই রয়ে গিয়েছে। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়াকে আবারও হারিয়ে অঘটন ঘটাল জিম্বাবোয়ে। ২৩ রানে জয় পেল সিকান্দর রাজার দল।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১০০ শতাংশ সাফল্য জিম্বাবোয়ের। দু'বার খেলেছে, দু'বারই জিতেছে। ২০০৭ সালে যখন জিম্বাবোয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল, সেবার বিশ্বকাপ জিতেছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির টিম ইন্ডিয়া। ফিরে যাওয়া যাক ১৯৮৩ সালে। সেবার অস্ট্রেলিয়াকে ১৩ রানে হারিয়েছিল জিম্বাবোয়ে। আর সেবার চ্যাম্পিয়ন হয় কপিল দেবের ভারত।
তবে জিম্বাবোয়ে অস্ট্রেলিয়াকে না হারালেও বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। সেটা ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ হোক বা ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এবারও ভারতীয় দল যথেষ্ট শক্তিশালী। ফলে সূর্যকুমারদের বিশ্বজয় নিয়ে আশাবাদী ক্রিকেট সমর্থকরা। সামনে ভারত-পাক মহারণ। কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামেই হবে সেই ম্যাচ। অজি-বধ করে জিম্বাবোয়ের অধিনায়ক সিকান্দর রাজা দু'দলকেই সাবধান করে দিলেন, এই পিচে ২০০ রানের পিছনে ধাওয়া মুশকিল হতে পারে।
