চারবারের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন। পাওলো রোসি, রবের্তো বাজ্জিও থেকে পাওলো মালদিনি, জিয়ালুইজি বুঁফো- ইটালির ফুটবল কিংবদন্তির তো অভাব নেই। আর সেখানে ক্রিকেটের ক্ষেত্রে একেবারেই কলকে পাওয়ার মতো দেশ নয়। কিন্তু এখন ইটালির ক্রিকেটাররা সমানে সমানে টক্কর দিচ্ছেন ফুটবলারদের। গত ২০ বছরে বিশ্বকাপে জয়ের নিরিখে ফুটবলারদের সমান সাফল্য জাস্টিন, অ্যান্থনি মোসকাদের মতো ক্রিকেটারদের।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সবচেয়ে খারাপ র্যাঙ্কিং দল ইটালি। আর তারাই কি না বৃহস্পতিবার ১০ উইকেটে হারিয়ে দিয়েছে নেপালকে। যা বিশ্বকাপে 'আজ্জুরি'দের প্রথম জয়। আর তাতেই ফুটবল দলকে ছুঁয়ে ফেলেছেন জশপ্রীত সিং, ক্রিশ্চান কালুগামাগেরা। কীভাবে?
ক্রিকেট বিশ্বকাপে ইটালির জয় আপাতত একটি। আর গত ২০ বছরে ফুটবল বিশ্বকাপেও ইটালির জয় একটি। মাঝে বোনুচ্চি বা চিয়েলিনিরা ইউরো কাপ জিতেছেন। কিন্তু বিশ্বকাপে অবস্থা খুব খারাপ। ২০০৬ সালে ফুটবল বিশ্বকাপ জিতেছিল ইটালি। কিন্তু কানাভারো, টোট্টিদের সেই সাফল্য পরবর্তী প্রজন্ম এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেনি।
ক্রিকেট বিশ্বকাপে ইটালির জয় আপাতত একটি। আর গত ২০ বছরে ফুটবল বিশ্বকাপেও ইটালির জয় একটি। মাঝে বোনুচ্চি বা চিয়েলিনিরা ইউরো কাপ জিতেছেন। কিন্তু বিশ্বকাপে অবস্থা খুব খারাপ। ২০০৬ সালে ফুটবল বিশ্বকাপ জিতেছিল ইটালি।
২০১০ সালে ও ২০১৪ সালে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় ইটালি। তার মধ্যে ২০১৪-তে ব্রাজিলে আয়োজিত বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জিতেছিল। মারিও বালোতেলিরা হেরেছিল বাকি দুই ম্যাচে। আর ২০১০ সালে একটি ম্যাচও জিততে পারেননি বুঁফোরা। ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে তো যোগ্যতা অর্জনই করতে পারেনি ইটালি। এতটাই দুরবস্থা! ২০২৬-র বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করার জন্য এখনও প্লেঅফে খেলতে হবে। অর্থাৎ গত ২০ বছরে ফুটবল বিশ্বকাপে ইটালির জয়ের সংখ্যাও- এক। ক্রিকেট বিশ্বকাপের সাফল্যের সমান।
ইটালিতে এমনিতে ক্রিকেটের চল সেভাবে নেই। তবে বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের পর ইটালির বর্তমান অধিনায়ক হ্যারি মানেন্তি বলছেন, "এই জয়ে ইটালির ছোট বাচ্চাদের ক্রিকেটে আগ্রহ বাড়াবে। আশা করি রোম, মিলান বা বোলোনায় এবার তাদের খেলতে দেখা যাবে।"
