বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বারবার ভারত ও পাকিস্তান একই গ্রুপে কেন? ফিক্সিংয়ের সন্দেহ প্রকাশ করে বিসিসিআইকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করালনে তৃণমূল সাংসদ ও প্রাক্তন বিশ্বকাপার কীর্তি আজাদ। তাঁর প্রশ্ন, জয় শাহ কোন যোগ্যতায় আইসিসির চেয়ারম্যান। প্রাক্তন ক্রিকেটারদের কেন সুযোগ দেওয়া হয় না।
তিরাশির বিশ্বজয়ী ভারতীয় দলের অন্যতম অলরাউন্ডার তথা বর্তমানে বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ বলছেন, "প্রত্যেক বিশ্বকাপে বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট দলের গ্রুপ পরিবর্তন হয়। কখনও দেখা যায় ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে খেলছে, আবার কখনও দেখা যায় ওই গ্রুপে দক্ষিণ আফ্রিকা, কখনও নিউজিল্যান্ডে এসেছে। ওই গ্রুপটা বদলায়। কিন্তু ভারতের গ্রুপে ভারত এবং পাকিস্তান কীভাবে বারবার একই গ্রুপে থেকে যায়? বিসিসিআই এবং আইসিসির কাছে আমি এ কথা জানতে চাই। এটা ম্যাচ ফিক্সিং নয়তো কি!"
কীর্তি আজাদ বলছেন, "প্রতিটা বিশ্বকাপে একই ছবি। ইতিহাস ঘেঁটে দেখে নিন। যদি লটারিতেই গ্রুপ নির্ধারিত হয়। তাহলে ভারত আর পাকিস্তান একই গ্রুপে লটারিতে বারবার ওঠে কীভাবে?" তৃণমূল সাংসদের অভিযোগ, "ভারত ও পাকিস্তানের নাম এক রেখে দেওয়া হয়। এদের মধ্যে ম্যাচ খেলানোর জন্য।" এর পরই কীর্তি বিসিসিআই সভাপতি জয় শাহর বিরুদ্ধে তোপ দেখে বলেন,"বিসিসিআই পুরোপুরি আইসিসিকে নিয়ন্ত্রণ করে। তাই দেখুন সুনীল গাভাসকরের মতো কোনও কিংবদন্তির বদলে জয় শাহ বসে আছেন আইসিসির চেয়ারম্যান হিসেবে। জয় শাহর থেকে বড় কেও আছে? এরা নেপোটিজমের কথা বলে। এরা বলে বাপ আছে তো বেটা আছে। কিন্তু এখানে দেখা যাচ্ছে বাপ আছে রাজনীতিতে, আর বেটা বিসিসিআই থেকে আইসিসিতে। আমরা কে? আমরা ক্রিকেট খেলতে জানি না। যা ক্রিকেট খেলতে জানে তার সব জানে জয় শাহ।আর দ্বিতীয় জন কেউ জানেন না।"
বস্তুত, গত কয়েকটি আইসিসি ইভেন্টে লাগাতার একই গ্রুপে থাকছে ভারত ও পাকিস্তানে। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, লটারির মাধ্যমেই যদি গ্রুপ নির্ধারণ হয়ে থাকে তাহলে বারবার এক গ্রুপে দুই চিরপ্রতিন্দ্বন্দ্বী কী করে পড়ে? এক্ষেত্রে অনেকে আইসিসির ব্যবসায়ীক দিকটিকে যুক্তি হিসাবে দেখান।
