পাকিস্তানকে শাস্তির ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিল আইসিসি। সূত্রের খবর, এবার পাকিস্তান ইস্যুতে তড়িঘড়ি বোর্ড বৈঠক ডাকতে চলেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। সূত্রের খবর, বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বৈঠক হবে। ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করার দরুণ পাকিস্তানকে কী কী শাস্তি দেওয়া হবে, সেটাও ওই বৈঠকেই নির্ধারিত হবে। অন্যদিকে, পাক অধিনায়ক সলমন আলি আঘা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তাঁরা সরকারি নির্দেশ মেনেই ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করবেন।
রবিবার পাক সরকার জানিয়ে দেয়, টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে না পাকিস্তান। যদিও পিসিবির তরফ থেকে এই নিয়ে এখনও সরকারিভাবে আইসিসিকে কিছু জানানো হয়নি। কিন্তু পাক অধিনায়ক স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ খেলা প্রসঙ্গে তাঁদের হাতে কিছুই নেই। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে এসে সলমন বলেন, "আমরা অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলতে যাব। কিন্তু সেটা আমাদের সিদ্ধান্ত নয়। জেনে রাখবেন, আমাদের হাতে কিছুই নেই। আমাদের সরকার বা চেয়ারম্যান যে নির্দেশ দেবেন আমাদের সেটাই মানতে হবে। তাঁরা যা বলবেন আমরা সেটাই করব।"
সলমনের এই মন্তব্যেই পরিষ্কার, ক্রিকেটারদের স্বার্থ বা ইচ্ছাকে কার্যত পাত্তাই দিচ্ছে না পাক বোর্ড। সেই পথে হাঁটছে শাহবাজ শরিফ সরকারও। বড়সড় শাস্তির আশঙ্কা সত্ত্বেও ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করতে চলেছে পাক ব্রিগেড। কিন্তু বয়কটের ফলে কী শাস্তি পাবে পাকিস্তান তা এখনও স্পষ্ট নয়। সেই সিদ্ধান্ত নিতেই আগামী মঙ্গলবার অথবা বুধবার আইসিসি বোর্ড বৈঠক ডেকেছে বলে সূত্রের খবর। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানকে বিরাট শাস্তিই দিতে চলেছে আইসিসি।
উল্লেখ্য, পাকিস্তান বড়সড় শাস্তি পেতে চলেছে বলে ইঙ্গিত ছিলই আইসিসির বিবৃতিতে। বলা হয়, ‘জাতীয় নীতি নির্ধারণ করার স্বাধীনতা রয়েছে প্রত্যেক দেশের সরকারের এবং আমরা সেটা সম্মান করি। কিন্তু পাক বোর্ডের এই সিদ্ধান্তের সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়বে তাদের নিজেদের ক্রিকেটেই।’ আইসিসি যদি পাকিস্তানের থেকে ক্ষতিপূরণ দাবি করে, তাহলে পাক বোর্ডের বিরাট আর্থিক ক্ষতি হবে। কার্যত ধসে পড়বে বোর্ডের কার্যকলাপ। সেটাই কি শাহিন আফ্রিদিদের ভবিতব্য হতে চলেছে?
