নিজের জগতে আছে পাকিস্তান! বিশ্বকাপে (T20 World Cup) তারা ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে না। পাক সরকার থেকে সেই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাকি ক্রিকেট দুনিয়া তো এর সঙ্গে সহমত নয়। কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে আইসিসি। তাই বাকি দেশগুলোকে নিজেদের সমর্থনে টানতে মরিয়া হয়ে উঠেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। অন্য দেশগুলোর দরজায় দরজায় ঘুরে বেড়াচ্ছে পাক বোর্ড। আর সব দেশই খালি হাতে ফেরত পাঠাচ্ছে মহসিন নকভিদের।
সেটাই তো খুব স্বাভাবিক। পর্যাপ্ত কারণ ছাড়াই বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করেছে পাকিস্তান। এমনকী সরাসরি আইসিসি'র সঙ্গে যোগাযোগও করেনি পাক বোর্ড। সরকারের সোশাল মিডিয়া বার্তাকেই তারা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বলে ধরে নিয়েছে। অথচ এটাও বুঝতে পারছে, গোয়ার্তুমি বজায় রেখে তারা ক্রিকেটবিশ্বে একঘরে হয়ে যাচ্ছে। বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক বোরিয়া মজুমদার জানিয়েছেন, নিজেদের সিদ্ধান্তের সমর্থন চেয়ে অন্য দেশগুলোর ক্রিকেট বোর্ডের দ্বারস্থ হচ্ছে পিসিবি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও বোর্ড সেই ডাকে সাড়া দেয়নি।
সব বোর্ডই মোটামুটি একমত যে, পাকিস্তানের সিদ্ধান্তের কোনও ভিত্তি নেই। আইনত তাদের কাছে কোনও যুক্তি নেই। বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে দেওয়ার 'প্রতিবাদে' এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু আসলে যে ভারত ও আইসিসি'কে বেকায়দায় ফেলতেই তাদের এই চাল, তা সব দেশই বুঝতে পারছে। এই অবস্থায় কোনও দেশই চাইছে না পাকিস্তানের অযৌক্তিক দাবিকে সমর্থন করে আইসিসি'র বিরোধিতা করতে।
বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক বোরিয়া মজুমদার জানিয়েছেন, নিজেদের সিদ্ধান্তের সমর্থন চেয়ে অন্য দেশগুলোর ক্রিকেট বোর্ডের দ্বারস্থ হচ্ছে পিসিবি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও বোর্ড সেই ডাকে সাড়া দেয়নি। কোনও দেশই চাইছে না পাকিস্তানের অযৌক্তিক দাবিকে সমর্থন করে আইসিসি'র বিরোধিতা করতে।
১৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করেছে পাকিস্তান। মহসিন নকভির পাক বোর্ড ঠিক করেছে তারা আইসিসি’কে কিছু জানাবেও না। বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনও সরকারি ইমেল পাঠাবে না তারা। যুক্তি হিসেবে বলা হচ্ছে পাক সরকারের টুইটের প্রেক্ষিতে আইসিসি নিজেদের বক্তব্য জানিয়েছে। অর্থাৎ পুরোটাই তারা জানে। তাই নতুন করে সরকারি সিদ্ধান্ত পাঠানোর দায় পাক বোর্ডের নেই। পাক সরকার কী টুইট করেছে না করেছে, সেটা আইসিসি-র বিচার্য নয়। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে সরকারি ভাবে জানাতে হবে যে, তারা ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে না। তার আগে আইসিসি বৈঠক ডেকে তোলপাড় ফেলবেই বা কেন?
