দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে টি-২০ বিশ্বকাপে ভারত-পাক দ্বৈরথ। রবিবার খেলতে নামবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। পহেলগাঁও হামলার পর থেকেই ইসলামাবাদ-নয়াদিল্লির রাজনৈতিক টানাপোড়েন খেলার মাঠেও এসে পড়েছে। একে অপরের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন না ভারত ও পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। একই রকম রণংদেহি মনোভাব ছড়িয়ে পড়েছে সমর্থকদের মধ্যেও। ম্যাচের দিন সকাল থেকে দেশের নানা প্রান্তে পুজো-যজ্ঞ শুরু করে দিয়েছেন তাঁরা, সূর্যকুমার যাদবদের সাফল্য কামনায়।
সোশাল মিডিয়ায় একের পর এক মন্দিরে পুজোর ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। কানপুর, বারাণসী থেকে শুরু করে দেওঘর, একটাই প্রার্থনা- রবিবার পাকবধ করুক ভারত। কোথাও সূর্যদের ছবির সামনে বসে চলছে যজ্ঞ, কোথাও আবার ভারতের পতাকা নিয়ে পুজোয় বসেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। রবিবার শিবরাত্রিও রয়েছে। শুভদিনে সর্বশক্তিমানের কাছে ক্রিকেটপ্রেমীদের বিনতি, পাকিস্তানকে জিততে দেওয়া যাবে না।
ক্রিকেটপ্রেমীদের কেউ বলছেন, "আমি প্রার্থনা করি আজ যেন শাহিন আফ্রিদি খেলতেই না পারে। ভারত বড় ব্যবধানে জিতুক।" আবার কারোওর মত, "ভারত প্রথমে ব্যাট করে ২০০ রান তুলে দিক। তারপর পাকিস্তানের ১০ উইকেট ফেলে দেওয়া যাবে।" বয়কট নাটককে নিশানা করে ক্রিকেটপ্রেমীদের অনেকেই বলছেন, "পাকিস্তান তো খেলার আদর্শ মানছেই না। যখন দেখেছে আর্থিক ক্ষতি হবে, আইসিসির ধমক খেয়ে মাঠে নেমেছে। ওদের কোনওমতে জিততে দেওয়া যাবে না।"
কংগ্রেস সাংসদ সুখজিন্দর সিং রণধাওয়া বলছেন, "পাকিস্তান আমাদের দেশের শত্রু। ওদের ঠিক শত্রুর মতোই জবাব দিতে হবে।" উল্লেখ্য, চলতি বিশ্বকাপে দু'টি করে ম্যাচ খেলেছে ভারত এবং পাকিস্তান। দুই দলই এখনও পর্যন্ত অপরাজিত। রবিবার কলম্বোর যুদ্ধে দুই দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলেই মনে করছেন ক্রিকেটবিশ্লেষকরা। সেই যুদ্ধে ঘরের ছেলেরা যেন জিতে ফেরে, প্রার্থনায় মগ্ন গোটা দেশ।
