ফের ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু হল বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের। ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়ে বাংলার শ্রমিকদের মৃত্যুর তালিকা ক্রমেই বাড়ছে। এবার চেন্নাইতে মৃত্যু হল বীরভূমের যুবকের। মৃতের নাম বাপ্পা শেখ, বাড়ি বীরভূমের কীর্ণাহার থানার কাফেরপুর গ্রামে। কীভাবে ওই মৃত্যু হল? সেই বিষয়ে রহস্য রয়েছে বলে মনে করছে পরিবারের লোকজনদের একাংশ। কান্নার রোল উঠেছে এলাকায়।
জানা গিয়েছে, বছর ২৩ বয়সের বাপ্পা চেন্নাইতে রাজমিস্ত্রির কাজ করতে গিয়েছিলেন। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মা-বাবা না থাকায় ছোটবেলা থেকেই দাদুর কাছে বড় হয়েছিলেন বাপ্পা শেখ। সেই ছিলেন ওই পরিবারের একমাত্র রোজগেরে। গত ৯ মাস আগে চেন্নাইয়ের মানিবক্কম এলাকায় রাজমিস্ত্রির কাজে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই তিনি কাজ করছিলেন।
প্রসঙ্গত, গত এক সপ্তাহ আগে বীরভূমের কাফেরপুর গ্রামের পাশে নিমড়া গ্রামের এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হয় চেন্নাইয়ে। এক সপ্তাহ যেতে না যেতে একই এলাকার দুই পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হল একই শহরে।
গতকাল, শনিবার রাতে তিনি মারা গিয়েছেন বলে খবর। জানা গিয়েছে, রাতে খাওয়াদাওয়ার পর কোম্পানির গাড়িতে রাখা জিনিস নামিয়েছিলেন। সেই কাজ শেষে রাত ১২ টা নাগাদ শুরু হয় অস্বস্তি। মাথা ঘোরা, বমির সমস্যা দেখা যায়। কিছু সময়ের মধ্যে হাত-পা টান্টান হয়ে যায়। সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকরা বাপ্পা শেখকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত্যুর কথা জানানো হয় স্থানীয় থানায়। এছাড়াও গভীর রাতেই কীর্ণাহারের বাড়িতে ওই মৃত্যুসংবাদ জানানো হয়। দুঃসংবাদ শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরা। কী এমন হল যে জলজ্যান্ত যুবক মারা যাবে? মৃত্যুর পিছনে কি কোনও রহস্য আছে? সেসিব প্রশ্ন উঠেছে।
প্রসঙ্গত গত এক সপ্তাহ আগে বীরভূমের কাফেরপুর গ্রামের পাশে নিমড়া গ্রামের এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হয় চেন্নাইয়ে। এক সপ্তাহ যেতে না যেতে একই এলাকার দুই পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হল একই শহরে। সেই বিষয় নিয়েও শুরু হয়েছে চর্চা।
