নিউজিল্যান্ড: ১৭৫/৭ (চ্যাপম্যান ৪৮, মিচেল ৩২, জ্যানসেন ৪০/৪, মহারাজ ২৪/১)
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৭৮/৩ (মার্করাম ৮৬*, মিলার ২৪*, রাচীন ৯/১, নিশাম ১৫/১)
৭ উইকেটে জয়ী দক্ষিণ আফ্রিকা।
সুপার এইট নিশ্চিতের লক্ষ্যে মাঠে নেমেছিল যুযুধান দুই প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা। নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচেই জয় পেয়েছিল দুই দলই। ম্যাচ জিতলেই সুপার এইট, এমন সহজ সমীকরণ নিয়েই আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ছিল 'কাঁটো কা টক্কর'। এমন একটা ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ-ডি থেকে প্রথম দল হিসাবে সুপার এইটে উঠল প্রোটিয়ারা।
আফগানিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছিল নিউজিল্যান্ড। পরের ম্যাচে আরব আমিরশাহীকে ১০ উইকেটে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসে টগমগ ছিল কিউয়িরা। অন্যদিকে, কানাডাকে ৫৭ রানে হারালেও আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে জোড়া সুপার ওভারে জয় পায় প্রোটিয়ারা। তাই কিছুটা হলেও চাপে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকা টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ঝোড়ো শুরু করলেও টিম সেইফার্টের (১৩) উইকেট খোয়ায় তারা। রাচীন রবীন্দ্র এদিনও ছন্দহীন। মার্কো জ্যানসেনের বলে তিনি ফেরেন ১৩ রানে। এরপর দ্রুত ফিরে যান ফিন অ্যালেন (৩১) এবং গ্লেন ফিলিপস (১)।
৬৪ রানে ৪ উইকেট খুইয়ে চাপে পড়ে যাওয়া নিউজিল্যান্ডকে টেনে তোলেন মার্ক চ্যাপম্যান এবং ড্যারিল মিচেল। ২৬ বলে ৪৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন চ্যাপম্যান। মিচেল করেন ৩২। শেষের দিকে জেমস নিশামের ২৩ নিউজিল্যান্ডকে ১৭৫ রানে পৌঁছে দেয়। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে জ্যানসেন পান ৪০ রানে ৪ উইকেট। লুঙ্গি এনগিডি, কেশব মহারাজ, করবিন বোশ ভাগ করে নেন ১টি করে উইকেট।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে খুব একটা চাপের মুখে পড়েনি দক্ষিণ আফিকা। সৌজন্যে এইডেন মার্করাম। ৩১ বছর বয়সি ওপেনারের সঙ্গে ঝোড়ো শুরু করেন কুইন্টন ডি কক। তবে ২০-র বেশি এগোয়নি তাঁর ইনিংস। সেট হয়ে আউট রায়ান রিকেলটন (২১)। একই রোগ ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের (২১)। শেষ পর্যন্ত ডেভিড মিলারকে নিয়ে ১৭.১ ওভারের মধ্যেই জয়ের সরণিতে পৌঁছে দেন কিউয়ি অধিনায়ক মার্করাম। দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক অপরাজিত থাকলেন ৪৪ বলে ৮৬ রানে। তাঁর ইনিংসটি সাজানো ৮টা চার, ৪টে ছয় দিয়ে। ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ করা মিলারের নামের পাশে অপরাজিত ২৪। সাত উইকেটে হেরে গেলেও কিউয়িদের সামনে সুপার এইটে যাওয়ার সুযোগ এখনও রয়েছে। সেক্ষেত্রে ১৭ ফেব্রুয়ারি কানাডাকে হারাতেই হবে।
