মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব আইপিএলে। মেগা টুর্নামেন্টের প্রথম ভাগের সূচি ঘোষণা হয়ে গেলেও সময়মতো টুর্নামেন্ট শুরু হওয়া নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন এখনও কাটেনি। এরই মধ্যে নয়া আশঙ্কার কথা শোনা যাচ্ছে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, আইপিএল যদিও বা সময়মতো শুরু হয়, তাতেও শুরুর দিকে সব বিদেশি ক্রিকেটারকে পাওয়া যাবে কিনা সংশয় আছে।
আসলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জন্য এখনও দুবাই, দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্টে এখনও স্বাভাবিক নয় বিমান পরিবহণ। যার জেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা এখনও দেশেই ফিরতে পারেননি। তাঁরা দেশে ফিরে ফের সময়মতো আইপিএলে যোগ দিতে পারবেন কিনা সংশয় রয়েছে। এমনিতে আইপিএল শুরুতে আরও দুসপ্তাহ সময় আছে। কিন্তু যুদ্ধ পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে তার আগে আইপিএলে ক্রিকেটারদের ফেরা কঠিন। আর শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ নয়, আরও একাধিক দেশ থেকে ভারতে আসার সময় ট্রানজিট পয়েন্ট হিসাবে দোহা বা দুবাইকে ব্যবহার করা হয়। ফলে সমস্যা বেশ গুরুতর। সেক্ষেত্রে সব দলই কমবেশি প্রভাবিত হবে। বিশেষ করে যে সব দলে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটাররা রয়েছেন, তাঁদের প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা কম।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে গোটা বিশ্বেই জ্বালানি সংকট। বিশেষ করে ভারতের পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক। কেন্দ্র ইতিমধ্যেই গ্যাসের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ‘এসমা’ জারি করেছে। এই পরিস্থিতিতে আইপিএলের মতো মহাযজ্ঞের আয়োজন সম্ভব কিনা, সেটা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন রয়েছে। শোনা যাচ্ছে, নিতান্তই যদি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি না হয়, তাহলে আইপিএল পিছিয়ে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না বোর্ডের।
তবে আইপিএল পুরোপুরি বন্ধ করার কথা এখনও ভাবছে না বোর্ড। শোনা যাচ্ছে, আইপিএল যাতে আয়োজন করা যায়, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সেই চেষ্টা করা হবে।
