তার ব্যাটিং তাণ্ডব দেখতে অভ্যস্ত ক্রিকেট দুনিয়া। এবার বোলিংয়েও ভেলকি দেখাল বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Sooryavanshi)। কে জানত, ১৫ বছর বয়সি ব্যাটারের বাঁহাতি স্পিনে এত রহস্য লুকিয়ে আছে। সেটারই সাক্ষী থাকল দলীপ ট্রফি। পূর্বাঞ্চলের জার্সিতে বোলিং করতে নেমে দুটো উইকেটও তুলে নিল বৈভব। যার ভাইরাল ভিডিও দেখে তাজ্জব নেটিজেনরা!
দলীপে পূর্বাঞ্চলের সহ-অধিনায়ক বৈভব। প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে রান পায়নি। সেটারই 'বদলা' নিল। এমনিতেই যথেষ্ট চাপে ছিল প্রতিপক্ষ উত্তর-পূর্বাঞ্চল। ২৮তম ওভারে তাঁর হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক ঈশান কিষান। আর বৈভবের উইকেট তুলতে লাগল ঠিক দু'বল। বাঁহাতি স্পিন বলে এগিয়ে এসে চালাতে গিয়েছিলেন কিষান লিংডো। হয়তো বৈভবের বোলিংকে 'ছেলেখেলা' ভেবেছিলেন। কিন্তু গতিতে বিভ্রান্ত হয়ে ক্যাচ তুলে আউট হন।
ঠিক তার তিন বল পরের কথা। এবার সামনে ছিলেন বাঁহাতি ইমলিওয়াতি লেমতুর। গুড লেংথ বল ডিফেন্স করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তা ব্যাটের কোণায় লেগে উইকেটকিপার ঈশানের হাতে জমা হয়। সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে ফেটে পড়ে বৈভব। তার আনন্দে উচ্ছ্বসিত গোটা দলও। কে জানত, বৈভবের হাতে এত জাদু আছে! টি-টোয়েন্টিতে ইতিমধ্যেই বিস্ময় জাগিয়েছে বৈভবের ব্যাট। দলীপে কেমন খেলে, সেদিকে নজর ছিল। প্রথম ইনিংসে ৬ বলে ৮ রান করে আউট হয় বৈভব। কিন্তু যদি বোলিংয়ে উইকেট তুলে নেয়, তাহলে তো টিম ইন্ডিয়ারই লাভ।
দলীপের কোয়ার্টার ফাইনালে জয়ের খুব কাছে পূর্বাঞ্চল। বাংলার সুদীপ কুমার ঘরামি ও শাহবাজ আহমেদের সেঞ্চুরিতে ৪৬৭ রান তোলে। জবাবে উত্তর-পূর্বাঞ্চল গুটিয়ে যায় মাত্র ১১১ রানে। ৫ উইকেট ত্রিপুরার অভিজিৎ সরকারের। ফলো-অনের পর লাঞ্চের সময় ৮ উইকেট হারিয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রান ১০২। মহম্মদ শামি উইকেট পাননি। ৩ উইকেট অনুকূল রায়ের।
