একসময় 'পূজাপাঠে' ছিল প্রবল অনীহা। নিজে মুখেই সে কথা স্বীকার করেছিলেন বিরাট কোহলি। জীবন এখন অনেক বদলে গিয়েছে। ফর্মের ভালো-মন্দ, দু'দিকেই দেখেছেন। এখন যেখানেই ম্যাচ খেলতে যান, সেখানের মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের পরের ওয়ানডে ইন্দোরে। তার আগে উজ্জয়িনীর মহাকালেশ্বর মন্দিরে উপস্থিত কোহলি। ভাইরাল ভিডিওয় তাঁকে বলতে শোনা গেল, 'জয় শ্রীমহাকাল।'
রবিবার সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ। সিরিজের ফলাফল এখন ১-১। ফলে ইন্দোরের ম্যাচই নির্ণায়ক। রানের মধ্যে আছেন কোহলি। প্রথম ম্যাচে অল্পের জন্য সেঞ্চুরি পাননি। সিরিজ জিততে ভারতের ভরসা কোহলিই। তার আগে তাঁকে দেখা গেল উজ্জয়িনীর শ্রী মহাকালেশ্বর মন্দিরে। পূজারীদের সঙ্গে মন্দিরের ভিতরে প্রবেশ করেন তিনি। কপালে হলুদ প্রলেপ। বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম এই মন্দির। যা শিপ্রা নদীর তীরে অবস্থিত। এর প্রধান আকর্ষণ হল ভোরের ভস্মারতি। যেখানে পবিত্র ছাই দিয়ে দেবাদিদেব মহাদেবকে পুজো করা হয়। জানা গিয়েছে, সেই ভস্মারতির সময় উপস্থিত ছিলেন কোহলি। তাঁকে বলতে শোনা যায়, 'জয় শ্রী মহাকাল'। সঙ্গে ছিলেন আরেক ভারতীয় ক্রিকেটার কুলদীপ যাদব। মন্দিরের ভজনেও অংশ নেন দুই তারকা। পরে মন্দিরের গর্ভগৃহের সামনে মাথানত করে প্রণাম করেন।
গত কয়েক বছর দেখলে কোহলির ঈশ্বরভক্তি নতুন কিছু নয়। ভারতে থাকার পাট কার্যত চুকিয়ে দিয়েছেন। লন্ডনেই পুত্র-কন্যাকে নিয়ে তাঁর সুখী সংসার। কিন্তু দেশে ফিরলে তাঁর অন্যতম গন্তব্য বৃন্দাবনে, প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের পর বিজয় হাজারে ট্রফি খেলতে ভারতে ফিরেছিলেন। সেই সময় স্ত্রী অনুষ্কা শর্মার সঙ্গে প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে যান কোহলি। তার আগে গিয়েছিলেন ভাইজ্যাগের সিংহচলমের শ্রীবরাহ লক্ষ্মী নরসিংহ স্বামী মন্দিরে।
উল্লেখ্য, রবিবার সিরিজের 'ফাইনালে' উজ্জয়িনীর মহাকালেশ্বর মন্দিরে পুজো দিতে যান ভারতের কোচ গৌতম গম্ভীর। পুজো দেওয়ার পর গম্ভীর বলেন, “এখানকার ব্যবস্থাপনা খুবই ভালো। ভালোভাবে দর্শন করেছি। আমাদের দল জয়ে ফিরবে। সেই ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।”
