shono
Advertisement

জাতীয় ক্ষেত্রে ফের উজ্জ্বল বাংলা, দেশের সেরা সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী

সংসদে তাঁর পারফরম্যান্স ঈর্ষণীয়।
Posted: 01:10 PM Jan 30, 2018Updated: 12:09 PM Jan 30, 2018

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংসদে ফের উজ্জ্বল বাংলার নাম। এবার সেরা সাংসদের তকমা পেলেন ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী।

Advertisement

সোমবার, গত পাঁচ বছরের সেরা সাংসদদের নাম ঘোষণা করে ‘ইন্ডিয়ান পার্লামেন্টারি গ্রুপ’ (আইপিজি)। ওই তালিকায় নাম রয়েছে দীনেশ ত্রিবেদীর। ২০১৬ সালের সেরা সাংসদের পুরস্কার পেতে চলেছেন রাজ্যের এই সাংসদ। ২০১৫ সালের সেরা সাংসদ হয়েছেন কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ। পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন বিজেডি নেতা ভ্রাত্রুহরি মাহাতাব। ২০১৭-র সেরা সাংসদের শিরোপা পেয়েছেন তিনি। চলতি বছরে ফসকে গেলেও ২০১৩ ও ২০১৪-র সেরা সাংসদের সন্মান পেয়েছেন বিজেপি’র নাজমা হেপতুল্লাহ ও হুকুমদেব নারায়ণ।

[গোটা অক্ষরে পড়বে নাতি, ফুটপাথে বসেই রামায়ণ লিখছেন ঠাকুরমা]

ওই সম্মাননার জন্য মনোনীতদের তালিকা তৈরি করে সংসদের একটি ‘অ্যাওয়ার্ড কমিটি’। ওই কমিটির প্রধান লোকসভা স্পিকার সুমিত্রা মহাজন। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং ও প্রবীণ বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদবানি। এছাড়াও রয়েছেন কংগ্রেস নেতা করণ সিং। কমিটির এক সদস্য জানান, সাংসদদের অভিজ্ঞতা, বিভিন্ন বিষয়ে সম্যক জ্ঞান ও যুক্তির সাহায্যে নিজের কথা তুলে ধরার ক্ষমতার ভিত্তিতে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়াও সাংসদদের আচরণ ও সংসদে কার্যকলাপে অবদানও খতিয়ে দেখা হয়। সব কিছু বিচার করে দেখার পর ‘আইপিজি’র কাছে একটি তালিকা জমা দেয় ‘অ্যাওয়ার্ড কমিটি’। ওই তালিকা থেকেই পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করে ২৪ সদস্যের ‘আইপিজি’। সংসদের বর্তমান ও প্রাক্তন সাংসদদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে এই স্বশাসিত সংস্থাটি। এটির নেতৃত্বেও রয়েছেন লোকসভার স্পিকার।

সদ্য জিএসটি থেকে শুরু করে একাধিক ইস্যুতে উত্তাল হয়ে উঠে সংসদ। বেশ কয়েকবার স্থগিত করতে হয় অধিবেশন। শিকেয় উঠে কাজকর্ম। রাজকোষের অর্থের এহেন অপচয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন সাংসদরা। অনেকেরই অভিযোগ নিয়মানুবর্তিতা ও আচার আচরণের ধার ধারেন না জনপ্রতিনিধিরা৷ এহেন পরিস্থিতিতে সেরা সাংসদের সন্মান অর্জন করে বাংলার মুখ উজ্জ্বল কড়েছেন দীনেশ ত্রিবেদী। ঘাসফুল প্রতীকে দীনেশ টানা দুবার ব্যারাকপুর থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রথমবার সাংসদ হওয়ার পর ইউপিএ-২ সরকারের আমলে তিনি রেলমন্ত্রী হয়েছিলেন। সংসদে একাধিক বিষয়ে তাঁকে বক্তব্য রাখতে দেখা গিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নিয়েছেন। এসব পারফরম্যান্সের জন্য বাংলার এই সাংসদকে সেরা হিসাবে বেছে নেওয়া হয়।

[১৫০ বছর পর ‘সুপার ব্লু ব্লাড মুন’, রক্তাভ চাঁদে পড়বে গ্রহণের ছায়া]

 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement