চারহাত এক হয়েছে তাঁদের। উদয়পুরে বৃহস্পতিবাসরীয় সন্ধ্যায় বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানার রাজকীয় বিয়ের পরের পর্ব শুরু হয়েছে। তেলুগু রীতিতে বিয়ের পরে এবার কর্নাটকের কোডাভা নিয়মানুসারে গাঁটছড়া বাঁধার পালা। আর তার মধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় স্বামীর উদ্দেশে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস রশ্মিকার। দীর্ঘ সেই পোস্টের শুরুতেই লেখা 'আপনাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিই আমার স্বামীর।'
এরপরই তিনি লিখেছেন, 'মানুষটি আমাকে সত্যিকারের ভালোবাসা কেমন তা শিখিয়েছে,
মানুষটি আমাকে দেখিয়েছে শান্তিতে কেমন করে থাকা যায়! মানুষটি আমাকে প্রতিদিন বলেছে যে বড় স্বপ্ন দেখাই ঠিক এবং ক্রমাগত বলে গিয়েছে, আমি যা ভাবতে পারি তার চেয়েও অনেক বেশি কিছু অর্জন করতে সক্ষম!'
বিজয়ের কথায় এত অল্পতেই অবশ্য থেমে যাননি রশ্মিকা। এরপর তিনি লিখেছেন, 'এই মানুষটি আমাকে কখনও এমনভাবে নাচতে বাধা দেয়নি যেন কেউ দেখছেই না... মানুষটি আমাকে বুঝিয়েছে বন্ধুদের সঙ্গে বেড়ানোই সবচেয়ে সেরা অভিজ্ঞতা। বিশ্বাস করো আমি এই মানুষটার উপর একটা বই লিখতে পারি!' তাঁর স্পষ্ট দাবি, বিজয়ের সংস্পর্শ তাঁকে বদলে দিয়েছে। 'আমি সেই নারী হতে পেরেছি যা আমি সব সময় হতে চেয়েছি। আমি সত্যিই আশীর্বাদধন্য।' তিনি জানিয়েছেন, বিজয়ের স্ত্রী হতে পেরে তিনি প্রবল উত্তেজিত। গোটা পোস্ট জুড়ে এভাবেই উচ্ছ্বাসের পর উচ্ছ্বাসে ভেসে যেতে দেখা গিয়েছে নায়িকাকে।
উল্লেখ্য, ১০০ অতিথি নিমন্ত্রিত এদিন বিজয়-রশ্মিকার বিয়ের অনুষ্ঠানে। তারকা যুগলের বিয়ের মেনুতে থাকছে খাঁটি দক্ষিণী খাবারের আয়োজন। ওয়েলকাম ড্রিঙ্কে নারকেল জল। ভূরিভোজ কলাপাতায়। রয়েছে তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও কর্নাটকের নানা সুস্বাদু খাবার। থাকছে হায়দরাবাদি দম বিরিয়ানি, মুরগির মাংসের বিশেষ পদ নাটু কোডি পুলুস, গারেলু বা মেডু বড়া, পাপ্পু যা মূলত দক্ষিণ ভারতীয় স্বাদের এক ধরনের ডাল এবং অবশ্যই কিমা সামোসা। এখানেই শেষ নয়, রশ্মিকা যেহেতু কর্নাটকের মেয়ে তাই কুর্গ অর্থাৎ কোডাগু ছোঁয়ায় কদম্বুটু ও পান্ডি কারি ও শেষ পাতে মাইশোর পাকের মতো মিষ্টি।
