shono
Advertisement

খাবারের প্লেটে বাড়ছে কাঁকড়ার চাহিদা, সঠিক পদ্ধতিতে চাষের পথ দেখালেন বিশেষজ্ঞ

কৃষকদের মধ্যেও প্রবণতা বাড়ছে কাঁকড়া চাষের।
Posted: 05:36 PM Mar 09, 2024Updated: 05:38 PM Mar 09, 2024

আধুনিক কৃষি ক্ষেত্রে বাংলার চাষিরা প্রথাগত চাষবাস করার সঙ্গে সঙ্গে বিকল্প চাষের দিকেও তাঁদের ঝোঁক বাড়ছে। তার মধ্যে কাঁকড়া চাষ অন্যতম। বর্তমান সময় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁকড়ার ক্রমাগত চাহিদা ও লাভের কারণে কৃষকদের প্রবণতা কাঁকড়া চাষের দিকে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। লিখেছেন মেঘালয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রামোন্নয়ন বিভাগের
সহকারী অধ্যাপক (কৃষিজ উৎপাদন) সৈকত মজুমদার।

Advertisement

শ্চিমবঙ্গে নন্দীগ্রাম, নয়াচরে হলদি নদীর তীরবর্তী এলাকায়, মেদিনীপুর, সুন্দরবন, দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানা সহ বেশ কিছু অঞ্চলে এই কাঁকড়া চাষ বিশেষ ভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বন করে বাংলার চাষিরা কাঁকড়া চাষ করতে পারেন। প্রথম পদ্ধতিতে ছোট ছোট পুকুরে রেখে কাঁকড়াকে মোটা ও তাজা করা হয় থেকে। দ্বিতীয় পদ্ধতিতে বড়বড় সিমেন্টের তৈরি টবে বা চৌবাচ্চায় চিংড়ির সঙ্গে কাঁকড়ার চাষ করা হয়। তৃতীয় পদ্ধতিতে খোলা পুকুরে, জলাশয়ে খাঁচায় আটকে রেখে ভাসমান অবস্থায় বিশেষ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বন করে কাঁকড়া চাষ করা হয়ে থাকে।

দুইভাবে এই চাষ করা যেতে পারে।
ক) গ্রো আউট সিস্টেম বা বৃদ্ধি পদ্ধতি এবং
খ) ফ্যাটেনিং সিস্টেম বা মোটাজাতকরণ। গ্রো আউট সিস্টেমে কাঁকড়া সাধারণত ৫ থেকে ৬ মাসে আর ফ্যাটেনিং সিস্টেমে কাঁকড়ার আকারের উপর নির্ভর করে বাজারে বিক্রি করা হয়। উল্লেখ্য এই কাঁকড়া চাষের সঙ্গে বাংলার চাষিরা মাছ চাষও করতে পারেন। এর থেকে এক জায়গা থেকে দ্বিগুণ লাভ পেতে পারেন।

বৃদ্ধি পদ্ধতি
১) চাষিরা এই পদ্ধতি অবলম্বন করে কাঁকড়াকে আকারে বড় করার জন্য ছোট ছোট কাঁকড়া এনে তাকে ৫ থেকে ৬ মাস ধরে চাষ করতে পারেন।
২) এই পদ্ধতি চাষিভাইদের জলাশয়ে বা পুকুরে কাঁকড়া পালন করতে হবে।
৩) পুকুরের আকার চাষিরা চাইলে ০.৫ থেকে ২.০ হেক্টর পর্যন্ত খনন করতে পারেন।
৪)পুকুরের চারপাশে ভাল করে আটকে দিতে হবে বা উঁচু করে আল দিতে হবে যাতে কাঁকড়া বেরিয়ে না যেতে পারে।
৫) চাষিরা চাইলে পুকুরের চারদিকে ভাল করে জল আটকে দিতে পারেন।
৬) চাষিদের খুব ভালো করে লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে পুকুরের জল অনির্দিষ্ট কাল এক না থাকে। সময় মতো জল পাল্টাতে হবে। তাতে কাঁকড়ার বৃদ্ধি খুব ভাল হবে। চাষিদের আরও একটি বিষয় খুব ভাল করে লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে পুকুরের জল সবসময় পরিষ্কার  থাকে।
৭) চাষিরা চাইলে প্রতি বর্গমিটারে এক থেকে তিন টি কাঁকড়া পালন করতে পারেন।
৮) যদি সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করে ঠিক মতো চাষ করা যায় তাহলে কখনও কখনও বড়ো কাঁকড়া ৩ মাস পালনের পরেই পাওয়া যায়।

মোটাজাতকরণ পদ্ধতি
১) চাষিদের এই পদ্ধতির মাধ্যমে এমন ভাবে কাঁকড়া চাষ করতে হবে ও দেখতে হবে যতক্ষণ না নরম শেল (খোল) কাঁকড়াগুলি তাদের উপরের শেল শক্ত না করে, ততক্ষণ পর্যন্ত কাঁকড়া পালন করতে হবে।
২) চাষিদের নরম খোল কাঁকড়াগুলোকে ছোট ছোট জলাশয়ে বা পুকুরে পালন করতে হবে যার আকার ০.০২৫ থেকে ০.২ হেক্টর এবং গভীরতা ১ থেকে ১.৫ মিটারের মধ্যে হবে।
৩) এবার চাষিদের পুকুর বা জলাশয় প্রস্তুত করতে হবে।
৪) এবার চাষিদের পুকুরে বা জলাশয়ে নরম খোল দিতে হবে। তার আগে কাঁকড়া রাখার আগে পুকুরের জল বাইরে বের করে দিতে হবে এবং পুকুর বা জলাশয়কে খুব ভাল করে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে।
৫) চাষিদের এবার পর্যাপ্ত পরিমাণে চুন দিয়ে পুকুর, জলাশয় কাঁকড়া চাষের উপযুক্ত করতে হবে।
৬) চাষিদের খুব ভাল করে খেয়াল রাখতে হবে যাতে পুকুরের জল বাইরে না বেরিয়ে যায়।
৭) ভালো করে পুকুর বা জলাশয় জাল বা নেট দিয়ে ঘিরে দিতে হবে যাতে জলের সঙ্গে কাঁকড়া বাইরে না বেরিয়ে যেতে পারে।
৮) অনেক সময় পুকুরের জলের একদম কিনারায় কাঁকড়া বেরিয়ে আসে।
৯) চাষিদের নিয়মিত জলাশয়, পুকুর গুল লক্ষ্য করতে হবে।

ভাসমান পদ্ধতিতে সফট সেল কাঁকড়া চাষ পদ্ধতি বক্স ক্র্যাব টেকনোলজির জন্য কাঁকড়ার বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে কাদা কাঁকড়া বা গ্রীন ক্র্যাব বা ম্যানগ্রোভ ক্র্যাব চাষ করলে বাংলার চাষি ভাইরা অনেক লাভ করতে পারেন। এটি বাণীজ্যিক ভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

[আরও পড়ুন: বিকল্প পদ্ধতিতে আম চাষে হতে পারে কোটিপতি, জেনে নিন পদ্ধতি]

প্রয়োজনীয় উপকরণ
কাঁকড়ার বক্স, পাইপ, বাঁশ, কাকড়ার খাবার ও চুন।
চাষিরা ভাসমান পদ্ধতিতে কাঁকড়া চাষ করতে পারেন। এতে তাঁরা অনকেগুণ লাভবান হতে পারেন। কিছু বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বন করে কাঁকড়া চাষ খুব সহজেই করা যাবে। দেশে ও বিদেশে রপ্তানি করে অনেক আয় করতে পারবেন চাষিরা।
২০ ফুট মাপের দুটি পাইপের মধ্যে মোটামুটি ১৫ টি বাক্স ভাসিয়ে রাখা যেতে পারে। এক ডেসিমেল পুকুরে ছয়টি পাইপ এ খুব ভালভাবে ৪০-৪৫ টি বাক্স ভাসানো
যেতে পারে।
১) চাষিদের প্রথমে পুকুর বা জলাশয় নির্বাচন করতে হবে যেখানে তাঁরা ভাসমান পদ্ধতি অবলম্বন করে কাঁকড়া চাষ করতে পারেন।
২) চুন দিয়ে খুব ভাল করে চাষিদের প্রথমে পুকুরের জল, জলাশয় যেখানে কাঁকড়া চাষ করা হবে, সেটিকে পরিশুদ্ধ করতে হবে।
৩) পুকুরের জল বা জলাশয়ের জল সবসময পরিস্কার করে রাখতে হবে।
৪) চার থেকে সাড়ে চার ফুট জল সবসময় রাখতে হবে যেখানে কাঁকড়া চাষ করা হবে।
৫) নদী সংলগ্ন এলাকায় কাঁকড়া চাষ করতে হবে, তাতে ভাল উৎপাদন সম্ভব।
৬) চাষিদের প্রথমে ছোট কাঁকড়া সংগ্রহ করতে হবে। সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকা থেকে কাঁকড়া সংগ্রহ করলে বেশি পরিমাণে লাভ পেতে পারেন। আর এই কাঁকড়ার স্বাদ অনেক
গুণ বেশি।
৭) এবার চাষিদের কাঁকড়ার বাক্স জলাশয়ে ভাল করে পাইপ দিয়ে লাগিয়ে জলে ভাসিয়ে দিতে হবে।
৮) প্রতিটি বক্সে একটি করে কাঁকড়া ছেড়ে দিতে হবে।
৯) লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে প্রতিটি বাক্সতে একটির বেশি কাঁকড়া না থেকে।
১০ যেহেতু ছোট কাঁকড়া গুলো বাইরে
থেকে আসে তাই এদের অক্সিজেন দেওয়াটা খুব দরকার।
১১) চাষি ভাইরা মেশিনের সাহায্যে অক্সিজেন দিতে পারেন।
১২) মেশিন না থাকলে কাঁকড়া গুলোকে জলে ছেড়ে দিয়ে অক্সিজেন সরবরাহ করা
যেতে পারে।
১৩) এবার প্রতিটি বক্সে কাঁকড়াকে খাবার দিতে হবে, দিনে একবার বা দুবার করে ছোট ছোট মাছ বক্সে দিতে হবে। মাছ না পাওয়া গেলে একধরনের ছোট ছোট শামুক কাঁকড়ার খাবার হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
১৪) যদি শামুক দিতে হয় তাহলে ভাল করে খোল ছাড়িয়ে শুধু মাংস বক্সে দিতে হবে কাঁকড়ার খাবারের জন্য।
১৫) প্রতি বক্সে দু-তিন দিন পর পর পাঁচ থেকে ছয় গ্রাম করে খাবার দিতে হবে।
১৬)কাঁকড়া চাষের জায়গা খুব ভাল করে পরিষ্কার রাখতে হবে।
১৭) নিয়ম করে পুকুর বা জলাশয়ের জল পরিষ্কার রাখতে হবে‌ যদি জল অপরিষ্কার হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে জল পুরো বের করে দিতে হবে। পুরনো জল বের করে দিয়ে আবার নতুন করে জল দিতে হবে।
১৮) চুন দিয়ে মাঝে মাঝে জল পরিষ্কার রাখতে হবে।
১৯) কাঁকড়া যে মল ত্যাগ করে তার থেকে গ্যাস বেরোয়‌ সেটির জন্য চুন দিয়ে জলাশয়ের জল পরিষ্কার রাখতে হবে।
২০) এবার বাঁশ দিয়ে জলাশয়ের উপরে মাচা বানাতে হবে যাতে সেখান থেকে চাষিরা কাঁকড়া ভালো করে রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারেন।
২১) চাষিদের ভাল করে প্রতিদিন বক্স গুলোকে জলে ভাসাতে হবে, তাতে উৎপাদন অনেক গুণ বেড়ে যায়।
২২) কোনও কোনও কাঁকড়া ৫ দিন, ১০
দিন, ২০ দিন, ২৫ দিন পর তাদের খোলস বার করে।
২৩) যখন চাষিরা একটি বাক্সে একটি কাঁকড়া ও তার খোলস দেখতে পাবেন, তখন কাঁকড়াকে তুলে নিতে হবে।
২৪) খোলস দেখতে ঠিক জীবিত কাঁকড়ার মতো লাগবে।
২৫) বাক্স থেকে পরিণত কাঁকড়া তুলে সেইগুলোকে মিষ্টি জলে কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে।
২৬) এবার কাঁকড়া তাদের খোলস বার করার পর সেই খোলস না ফেলে মাছের খাবার হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। বাজারে এর চাহিদা অনেক।
২৭) এবার পরিণত কাঁকড়া তুলে ক্রেট নিয়ে তাতে সাজিয়ে বাজারজাত করতে হবে।
২৮) চাষিদের কাঁকড়া ধরার সঙ্গে সঙ্গে বিশেষ নিয়মে দড়ি দিয়ে তা বেঁধে ফেলতে হবে।
২৯) এমন ভাবে কাঁকড়া দড়ি দিয়ে বেঁধে দিতে হবে যাতে কাঁকড়ার পা না ভেঙে যায়। তাহলে বাজারে এর দাম পাওয়া যাবে না।
প্রতি বিঘা জমিতে কাঁকড়া চাষের খরচ প্রতি বিঘা জমিতে কাঁকড়া চাষ করতে চাষিদের প্রথমে বেশ কিছু খরচ হলেও কিছু দিন পর থেকে তাঁরা লাভের মুখ দেখতে পারেন এটা নিশ্চিত। মূলত চাষিদের খরচের মধ্যে কাঁকড়ার জন্য বাক্স, পাইপ ও খাবার এই তিনটি দিক লক্ষ্য রাখতে হবে। এক থেকে দুই বিঘা জমিতে চাষিভাইরা খুব ভালো করে একহাজার থেকে দেড় হাজার কাঁকড়া বাক্স ছাড়তে পারেন।
১) প্রতিটি পাইপের বাজারে বর্তমান দাম ৬০০- ৮০০ টাকা। 
২) প্রতিটি বাক্স কিনতে মোটামুটি চাষিদের ১৫০- ২০০ টাকা খরচ করতে হবে।
৩) সবমিলিয়ে ৪০-৪৫ হাজার টাকার মধ্যে চাষিরা পাইপ সহ বাক্স জলে ভাসাতে পারেন।
৪) কাঁকড়ার খাবারের জন্য প্রতিদিন গড়ে ১ থেকে ১.৫ কেজি মাছ দরকার। প্রতিটি বাক্সে ১৮ থেকে ২০ গ্রাম করে খাবার দিতে হবে।
৫) ১০০-১২০ টাকা কেজি ধরে ছোট বা শুঁটকি মাছ বাজারে পাওয়া যায় (জায়গা বিশেষে মাছের দাম হেরফের করে, এর থেকেও কমে মাছ পেতে পারেন।)
৬) বর্তমান বাজারে চুন পেতে পারেন কেজিতে ২০০- ৩০০ টাকা৭) অধিকাংশ কৃষকের বাড়িতে বাঁশ মজুত থাকে, সেই বাঁশ তাঁরা কাঁকড়া চাষের জন্য ব্যবহার করতে পারেন ছোট ছোট মাচা তৈরির জন্য। আলাদা করে কেনার দরকার নেই।

কাঁকড়ার খাদ্য
কাঁকড়ার জন্য লবণাক্ত মাছ, জল ঝিনুক, মুরগীর বর্জ্য, শুঁটকি মাছ খেতে দেওয়া যেতে পারে। দু-তিন দিন পর পর কাঁকড়াকে খাওয়ানো হয়।
কোথা থেকে কাঁকড়া সংগ্রহ করা যাবে উপকূলীয় এলাকায় কাঁকড়া চাষ খুব সহজেই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সুন্দরবন সংলগ্ন জলাশয় থেকে এই কাঁকড়া চাষিরা খুব সহজেই সংগ্রহ করতে পারেন। ছোট ছোট মাছ বা কুচে মাছ ছোট ছোট আকারে কেটে নিয়ে বঁড়শি দিয়ে কাঁকড়া ধরা যাবে। এছাড়াও মাছের বা কাঁকড়ার আরত থেকে প্রতি কেজি ৪০০-৫০০ টাকাতে ছোট কাঁকড়া সংগ্রহ করা
যেতে পারে।

বাজারজাতকরণ
মোটামুটি সঠিক পদ্ধতিতে এই কাঁকড়া চাষ করলে ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে কাঁকড়াকে বাজারজাত করা যাবে। কখনও কখনও তার আগেও কাঁকড়া খোলস ত্যাগ করে। একবার খোলস ত্যাগ করলেই সেটিকে বাক্স থেকে তুলে ফেলতে হবে ও প্যাকেট করে বাজারে বিক্রি করা যেতে পারে। চাষিরা এই কাঁকড়া সরাসরি বাজারে বিক্রি করতে পারবেন।
মাছের বা কাঁকড়ার আরতে ও বিক্রি করতে পারবেন। বাজারে আকার অনুযায়ী প্রতি কেজি কাঁকড়ার দাম কখনও কখনও ছয়শো, সাড়ে চারশো, তিনশো, আড়াইশো টাকা, এই ভাবে হয়ে থাকে।
সতর্কতা অবলম্বন
১) চাষিদের কাঁকড়াকে খুব ভোরে আর না হলে সন্ধ্যাবেলাতে জল থেকে তোলা উচিৎ।

২) সরাসরি সূর্যের আলো কাঁকড়ার জন্য ক্ষতিকর।
৩) জলাশয়ের জল সবসময পরিস্কার
রাখতে হবে।
৪) জলাশয় বা পুকুরের তলায় জমে থাকা বিষাক্ত ক্ষতিকর গ্যাস থেকে কাঁকড়াকে বাঁচানোর জন্য উপযুক্ত রাসায়নিক ব্যবহার করতে হবে।
৫) জিওলাইট প্লাস দিতে হবে প্রতিটি ফ্যাটিনিং চাষের পর।
৬) প্রতি দুবার কাঁকড়া তোলার পর পুকুরের তলায় জমে থাকা পলি তুলে ফেলে পাথুরে চুন দিয়ে সাত দিন পুকুরে ফেলে রাখার পর আবার নতুন করে জল দিতে হবে।মাছ চাষের সঙ্গে সঙ্গে চাষিরা বিশেষ করে বাড়ির মহিলারাও এই কাজে লিপ্ত হতে পারেন। তাঁরা তাঁদের বিকল্প আয়ের একটি রাস্তা পেতে পারেন। অন্যান্য কাজের সঙ্গে এই কাঁকড়া চাষ করতে পারেন। অল্প নোনা জলে এই কাঁকড়া চাষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। ধীরে ধীরে কাঁকড়া চাষ দেশের বাজারে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করে চাষিভাইরা যদি এই কাঁকড়া চাষ করতে পারেন তাহলে মাসে এক থেকে দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত তাঁরা লাভ করতে পারেন। কাঁকড়া চাষ করে ভালো মুনাফা করা যেতে পারে। তাই এটি একটি লাভজনক ব্যবসা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement