shono
Advertisement
Beard Care Tips

বারবার কামিয়েও দাড়ির দেখা নেই, গাল ভর্তি 'রেজার বাম্প'! কী করে ফেরাবেন ত্বকের জৌলুস?

দাড়ি কামানোর সময় শুধু ত্বকের বাইরে বেরিয়ে থাকা লোমের অংশটুকুই কেটে যায়। লোমের গোড়া বা ফলিকল, যেখান থেকে লোমের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রিত হয়, সেটি ত্বকের ভেতরেই থাকে এবং শেভ করার ফলে তার ওপর কোনও প্রভাব পড়ে না।
Published By: Utsa TarafdarPosted: 02:16 PM Aug 22, 2026Updated: 08:15 PM Aug 22, 2026

কিছুতেই মনমতো দাড়ি গজাচ্ছে না, তাই ক্রমাগত শেভ করে চলেছেন? কাজের কাজ হচ্ছে না, বদলে ত্বকে বাড়ছে দাগ-ব্রণ। বারবার দাড়ি কামালেই মুখ ভরে ঘন দাড়ি গজাবে, এমন ধারণা অনেকেরই থাকে। ঘন দাড়ি মানেই সেই ব্যক্তি সুপুরুষ, ফলে বন্ধু অথবা পরিচিত মহলে কদর খানিক বাড়বেই। এমন ধারণা থেকে যুবকরা অনেক সময়েই ঘন ঘন দাড়ি কামাতে শুরু করেন। ফলে গাল জুড়ে এবড়োখেবড়ো দাড়ির গোছা দেখা যায়।

Advertisement

দাড়ি না গজানো সত্ত্বেও বারবার রেজার চালালে দেখা দেবে 'রেজার বাম্প'।

বারবার শেভ করবার এই ধারণা কতখানি যুক্তিযুক্ত? ডারমাটোলজিস্টরা জানাচ্ছেন, এমন দাবির কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। দাড়ি কামানোর সময় শুধু ত্বকের বাইরে বেরিয়ে থাকা লোমের অংশটুকুই কেটে যায়। লোমের গোড়া বা ফলিকল, যেখান থেকে লোমের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রিত হয়, সেটি ত্বকের ভেতরেই থাকে এবং শেভ করার ফলে তার ওপর কোনও প্রভাব পড়ে না।

বরং দাড়ি না গজানো সত্ত্বেও গালে বারবার রেজার চালানোর ফলে ত্বকের অংশ ফুলে উঠে ‘রেজার বাম্প’-ও তৈরি হতে পারে। এতে যে কেবল দেখতে অসুন্দর লাগে তাই নয়, গাল রীতিমতো ব্যথা হয়ে ওঠে।

তাহলে শেভ করার পর লোম মোটা দেখায় কেন? এই প্রশ্ন থেকেই মূলত মিথটির জন্ম। স্বাভাবিকভাবে একটি লোমের ডগা কিছুটা সরু হয়। রেজর দিয়ে সেটি কেটে দিলে ডগাটি হয়ে যায় ভোঁতা। এই ছোট, ভোঁতা ডগার লোম ত্বকের ওপর বেশি শক্ত ও মোটা বলে মনে হতে পারে।

ডারমাটোলজিস্টরা জানান, দাড়ি ঘন করবার জন্য যতই প্রসাধন ব্যবহার করা হোক না কেন, অথবা সাপ্লিমেন্ট খাওয়া যাক না কেন, এটি মূলত নির্ভর করে জিনগত বৈশিষ্টের ওপর। পৌরুষ বাড়াতে দাড়ি ঘন করার চেষ্টার বদলে স্কিনকেয়ারে মনোযোগ দিতে পারেন পুরুষরা। ত্বকে যাতে 'রেজার বাম্প' তা তৈরি হয়, নজর রাখতে হবে সেদিকে। মসৃণ ও উজ্জ্বল ত্বকের পুরুষের দিকে মানুষের নজর আটকাবেই।

শেভ করার আগে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন। ত্বকে সরাসরি শুকনো রেজর চালাবেন না। শেভিং ক্রিম বা জেল ব্যবহার করলে ঘর্ষণ কমে এবং ত্বক সুরক্ষিত থাকে। লোম যেদিকে বাড়ে, সেই দিকেই শেভ করুন। একই জায়গায় বারবার রেজর চালাবেন না। শেভ করার পর হালকা, সুগন্ধিবিহীন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন। বিশেষ করে সংবেদনশীল ত্বকে এটি অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement