shono
Advertisement
Ikka Review

সানি দেওল, অক্ষয় খান্নার দ্বৈরথে কতটা জমল 'ইক্কা'র চাল? পড়ুন রিভিউ

'বর্ডার' সিনেমার পর দীর্ঘদিন বাদে একফ্রেমে সানি-অক্ষয়। তবে এবার সম্মুখ সমরে। কেমন হল 'ইক্কা'?
Published By: Sandipta BhanjaPosted: 08:20 PM Jul 15, 2026Updated: 08:20 PM Jul 15, 2026

স্বাতী চট্টোপাধ্যায় ভৌমিক: 'তারিখ পে তারিখ, তারিখ পে তারিখ, তারিখ পে তারিখ, তারিখ পে তারিখ!'- 'দামিনী' ছবির সংলাপ ছিল। এত বছর পর সেই একই অভিনেতাকে একই ভূমিকায় যখন আদালতে বেকায়দায় পড়ে বার বার তারিখ চাইতে দেখা যায় দর্শক কিছুটা বিভ্রান্ত হয় বইকি! ‘বর্ডার’ ছবির পর আবারও একসঙ্গে এবং মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সানি দেওল ও অক্ষয় খান্না। বর্তমানে একে-অপরকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পর্দায় হাজির সিদ্ধার্থ পি মালহোত্রা পরিচালিত নেটফ্লিক্সের 'ইক্কা' ছবিতে।

Advertisement

বিচার প্রক্রিয়া সকলের জন্য সমান। কিন্তু বাস্তবে বড়লোক অপরাধ করেও পার পেয়ে যায় আর গরিবের সঙ্গে অন্যায় হলেও তার বিচার হয় না। সেই চিন্তাধারাকে সামনে রেখেই ছবির কাহিনী বোনা হয়েছে।

সততার দুই মেরুতে থেকেও বাধ্য হয়ে হাত ধরতে হয় অর্জুন মেহরা ও শৌর্যমান গওরকে। জীবনের এক অদ্ভুত খেলায় দুই প্রতিপক্ষকে নামতে হয় একই দলের হয়ে। শহরের নামকরা সৎ ও অভিজ্ঞ এডভোকেট অর্জুন (সানি) প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার ছেলেকে (অক্ষয়) বাঁচাতে কোর্টে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে। অপরাধ ধর্ষণ এবং হত্যা। সমস্ত তথ্যপ্রমাণ শৌর্যমানের বিরুদ্ধে। অর্জুনের মতো সৎ আইনজীবীর একজন ধর্ষককে বাঁচাতে চাওয়া অবাক করে সারা শহরকে। অর্জুনের বিপরীতে সরকার পক্ষের হয়ে কেস লড়তে আসে পাবলিক প্রসিকিউটর মধুরা ব্যানার্জী (তিলোত্তমা সোম)। সত্যের জয় নাকি অভিজ্ঞতার? গল্পের মোড় নতুন বাঁক নিতে থাকে প্রতিদিন। অন্যান্য ভূমিকায় রয়েছেন দিয়া মির্জা, শিশির শর্মা, সনজীদা শেখ, বিজয় বিক্রম সিং। ভারতীয় বিচার ব্যবস্থা ছোট বড় জ্ঞান করে না। বিচার প্রক্রিয়া সকলের জন্য সমান। কিন্তু বাস্তবে বড়লোক অপরাধ করেও পার পেয়ে যায় আর গরিবের সঙ্গে অন্যায় হলেও তার বিচার হয় না। সেই চিন্তাধারাকে সামনে রেখেই ছবির কাহিনী বোনা হয়েছে।

'বর্ডার' সিনেমার পর দীর্ঘদিন বাদে একফ্রেমে সানি-অক্ষয়।

প্রসঙ্গত ছবির মূল প্লট সঞ্জয় দত্ত ও জ্যাকি শ্রফ অভিনীত ২০০০ সালের ছবি 'জঙ্গ' থেকে অনুপ্রাণিত। কাজেই গল্পে নতুনত্ব খুব একটা নেই। কোর্টরুম ড্রামা হিসেবে দেখতে খারাপ লাগে না। তবে ছবির ক্লাইম্যাক্স দর্শককে হতাশ করবে। শেষের টুইস্ট গল্পে প্রায় কোনও কাজেই আসে না। কেস শেষের যুক্তিও অনেক ক্ষেত্রেই খুব এলোমেলো। দু'ঘণ্টা কুড়ি মিনিটের ছবিতে শুরুর কিছুটা ছাড়া তেমন কোনও টানটান মুহূর্ত নেই। চোখ ধাঁধানো কাস্ট নিয়েও চিত্রনাট্যের দুর্বলতা প্রকট হয়ে উঠল। সানি তাঁর চেনা স্টাইল থেকে বেরিয়ে অন্যভাবে চরিত্রকে তুলে ধরতে চেয়েছেন, যদিও তাতে খুব একটা সাফল্য আসেনি। অক্ষয় আগাগোড়া ‘ধুরন্ধর’ আবহে আটকে রইলেন। একজন বুদ্ধিমান অপরাধীর অভিব্যক্তি অধরা রয়ে গেল। অথচ এর আগে নেগেটিভ চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় উপহার দিয়েছেন তিনি। তিলোত্তমা এই ছবির একমাত্র সারপ্রাইজ প্যাকেজ। কেস হাতে পাওয়া থেকে নিয়ে শেষ দৃশ্য অবধি অতুলনীয় অভিনয়ে মুগ্ধ করে রাখেন তিনি। অনেকদিন পর দিয়াকে পর্দায় দেখা গেল, মানানসই অভিনয় করেছেন তিনি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement