ফুটবল বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) জ্বরে কাবু দেশ তথা বিশ্ব। সেই জ্বরের রেশ যে রাজ্যের ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়বে, এতে আর আশ্চর্যের কী? বাড়ি-অফিস-পথঘাটে সকলেই ব্যস্ত এক আলোচনায়— খেলায় এগিয়ে রয়েছে কোন দল? কাদের খেলা রীতিমতো অবাক করছে ফ্যানদের? স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বকাপ স্পেশাল গুডিস-জার্সিতে ভরে গিয়েছে বাজার।
এই মরশুমে কলকাতার বেশ কিছু ক্যাফে-রেস্তরাঁ সেজে উঠেছে ফুটবল বিশ্বকাপের থিমে। বাড়ি বসে তো খেলা দেখাই যায়। তবে চাইলে কোনও এক দুপুর-সন্ধেটুকু বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে কাটিয়ে আসা যায় এমন কোনও জায়গায়।
যেসব রেস্তোরাঁয় টেলিভিশনে বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখানো হচ্ছে, সেখানে ভিড়ও বাড়ছে। অনেক রেস্তোরাঁ আবার টুর্নামেন্টের শেষ পর্যায়ের ম্যাচগুলির জন্য বড় পর্দা বসানোর পরিকল্পনাও করছে। বিশ্বকাপের অধিকাংশ ম্যাচ গভীর রাত বা ভোরে হওয়ায় রেস্তোরাঁগুলো তখন খোলা থাকে না। তাই খাবার ও পানীয়ের সঙ্গে ম্যাচের রিপ্লে দেখতেই বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন ফুটবলপ্রেমীরা। এমন পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ খাবারের জায়গাতেই দাম বেড়েছে ৫-৭ শতাংশ। তবে তাতে তেমন ভ্রূক্ষেপ নেই জনগণের।
ফিরাঙ্গি ক্যাফে অ্যান্ড বিস্ত্রো
রিপন স্ট্রিটের এই ক্যাফেটিতে বিশ্বকাপ উপলক্ষে বসানো হয়েছে জায়েন্ট স্ক্রিন। তাছাড়া গভীর রাত পর্যন্ত তা খোলা রাখা হচ্ছে ক্রেতাদের জন্য।
হোয়াটসঅ্যাপ ক্যাফে
সাদার্ন অ্যাভেনিউতে অবস্থিত এই ক্যাফে। রয়েছে বিশ্বকাপের লাইভ স্ক্রিনিং দেখার ব্যবস্থা। তাছাড়া স্বাচ্ছন্দে রুফটপ ভিউ উপভোগ করা যায় পছন্দের খাবার ও পানীয় সঙ্গে নিয়ে।
দ্য ওরিজোন্টে
কসবার এই রেস্তরাঁটিতে জায়েন্ট স্ক্রিন তো বসানো হয়েছেই ক্রেতাদের বিশ্বকাপ দেখার সুবিধের জন্য। পাশাপাশি তা খোলা রাখা হচ্ছে গভীর রাত পর্যন্ত। তাছাড়া এমনভাবে সাজানো হয়েছে সমস্ত ইন্টিরিয়র, যাতে ক্রেতারা অনুভব করেন, স্টেডিয়ামেই যেন বসে রয়েছেন তাঁরা।
ট্রাইব ক্যাফে
গোলপার্কের এই ক্যাফেটিতে থাকছে ফিফা-স্পেশাল মেনু। সঙ্গে ক্রেতাদের জন্য ছোটখাটো ইনডোর গেমে অংশগ্রহণ করার সুব্যবস্থাও রয়েছে।
অ্যালিভি ক্যাফে অ্যান্ড রেস্ট্রো
তোপসিয়ার এই ক্যাফেটিও অংশ নিয়েছে বিশ্বকাপের আনন্দ উদযাপনে। জায়েন্ট স্ক্রিন ও লেট লাইট স্ক্রিনিং-সহ রয়েছে খাদ্য-পানীয়ের ঢালাও আয়োজন।
চেরি ক্লাউডস
তোপসিয়ার এই ক্যাফেতেও রয়েছে অনুরূপ ব্যবস্থা। তাছাড়া ম্যাচ দেখার সময় নির্দিষ্ট মূল্যের বিনিময়ে ক্রেতারা উপভোগ করতে পারেন ‘বিয়ার টাওয়ার’।
অ্যাকোয়ামিক্স ক্যাফে অ্যান্ড লাইঞ্জ
স্টেডিয়ামের আমেজ উপভোগ করা যায় বেনিয়াপুকুরের এই ক্যাফেটিতেও। রয়েছে বড় স্ক্রিনে ম্যাচ দেখার সুব্যবস্থা।
ইতিমধ্যে মানুষের ভিড়ে গমগম করে উঠেছে ক্যাফে-রেস্তরাঁগুলি। শহরের খাদ্যরসিকদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হাজির হচ্ছেন ফুটবলপ্রেমীরা। তালিকায় রয়েছে সংহাই, অ্যাম্বার, মন্থনের মতো ক্যাফেগুলি। এমএস বার অ্যান্ড লাউঞ্জ-এ বিশ্বকাপের আবহের সঙ্গে লাইভ মিউজিক ও ডিজেরও আয়োজন করা হয়েছে।
