চোখ খুলেই একরত্তির আবদার, ব্রেকফাস্টে চকোলেট চাই! তার উপর অকারণ খাপ্পা না হয়ে জেনে নিন এক সহজ রেসিপি।
জলখাবার মানেই যে তাকে কাটখোট্টা হতে হবে, এমন কোনও কথা নেই। চাইলে দিনের শুরুতেই একটু মিষ্টিমুখ করা যায়। বিশেষ করে যারা চকোলেট ভালোবাসেন, তাদের এমন হুটপাট ইচ্ছে হয় বৈকি। কিন্তু শরীরের ভালো চাইলে কি আর এমন সব ইচ্ছেকে আমল দেওয়া চলে?
একটু বুদ্ধি খাটালে অবশ্য বানিয়ে ফেলা যায় এমন এক আশ্চর্য খাবার, যা সকালের মিষ্টিমুখ করার শখ মেটাবে, পেট ভরাবে। আবার চকোলেটের স্বাদও পাওয়া যাবে তা থেকে। নাম ‘চকোলেট বাটার’ (Chocolate Butter)। খেতে হলে, পাউরুটির গায়ে মাখিয়ে নিতে হয়। মাখনের উত্তম বিকল্প। বানানোও একেবারে সহজ।
হুট করে শুনলে অদ্ভুত লাগতে পারে। মাখনের স্বাদ খানিক নোনতা, তার সঙ্গে চকোলেটের মিশেল কি ঠিকমতো খেতে লাগবে? সেক্ষেত্রে জানতে হয়, বাজারচলতি নিউটেলা কিন্তু প্রায় এমনই এক খাবার। আর বিশ্ব তথা ভারতের বাজারেও তার রীতিমতো চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে, যে ছোটদের খাওয়া নিয়ে টালবাহানা লেগেই থাকে, চকোলেট বাটার খেতে ভালোবাসবে তারাও।
এর জন্য দোকান থেকে কিনে আনুন একেবারে সাধারণ মাখন, কেনার সময় দেখে নিন প্যাকেটের গায়ে যেন ‘আনসল্টেড’ লেখা থাকে। মাখন গলানো দিয়ে শুরু হবে এই রেসিপির প্রথম ধাপ। কীভাবে গলাবেন? শক্ত মাখনের ডেলা বাটিতে নিয়ে, সেই বাটি বসিয়ে দিন ঈষদুষ্ণ জলে ভর্তি বড় বাটির মাঝে। তবে মাখনে জল না লাগানোই ভালো।
রেসিপির নামে চকোলেট থাকলেও, সরাসরি চকোলেট নয়, বরং কোকো পাউডার ব্যবহার করা হবে। চিনি-বিহীন কোকো পাউডার মিশিয়ে নিতে হবে মাখনের সঙ্গে। প্রথমেই একগাদা না নিয়ে, এক চামচ এক চামচ করে কোকো পাউডারের পরিমাণ বাড়াতে হবে। আর দ্রুত হাতে চামচ নেড়ে মেশাতে হবে মাখনের সঙ্গে। কোকো পাউডার ডেলা না পাকিয়ে যায়, সেদিকে নজর রাখতে হবে।
তাপমাত্রা একেবারে স্বাভাবিক হয়ে গেলে, যে পাত্রে তা সংরক্ষণ করতে চান, তাতে গলানো মাখন ঢেলে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। এক সময় তা আবার আগের জমাট অবস্থায় ফিরে যাবে। ব্যাস, আর কি? বাড়িতেই চকোলেট বাটার রেডি।
টোস্টের ওপর মাখিয়ে খাওয়া যায়। স্মুদি বা ওটসের সঙ্গেও মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। চাইলে সকালের কফিতে সামান্য মিশিয়ে নিন। আবার আপেল অথবা অন্য কোনও ফলের গায়ে মাখিয়ে পিনাট বাটারের মতোও খাওয়া যেতে পারে। অথবা চামচে নিয়ে খাওয়া যায় এমনি চেটে চেটেই!
