দিনভর ব্যস্ততা। রান্নাবান্নার সময়ই যেন পাওয়া যায়। বেশিরভাগ বাড়িতেই রাঁধুনি রান্নাবান্না করেন। রান্না করে রাখা সেই খাবার গরম করার জন্য ভরসা মাইক্রোওয়েভ। বিশেষ এই বৈদ্যুতিন যন্ত্রে গরম করা খাবার খাওয়া আদৌ স্বাস্থ্যকর কিনা, স্বাভাবিকভাবে তা নিয়ে রয়েছে মতানৈক্য। তবে বেশ কয়েকটি খাবার রয়েছে, যেগুলি মাইক্রোওয়েভে বারবার গরম করলে বিষের মতো ক্ষতিকারক হতে পারে। জেনে নিন কোন খাবারগুলি গরম করার ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা প্রয়োজন।
অনেক সময় খোসাযুক্ত ডিম মাইক্রোওয়েভে গরম করেন অনকে। তবে ভুলেও এই কাজটি করবেন না। তাতে ডিম শক্ত হয়ে যেতে পারে। কিংবা খোসা ফেটে ক্ষতি হতে পারে। তার পরিবর্তে ডিমের খোসা পরিষ্কার করে ছাড়িয়ে নিন। তারপর ডিম অর্ধেক কিংবা চার টুকরো করে কেটে মাইক্রোওয়েভে গরম করুন।
গোটা শুকনো লঙ্কা ভুলেও মাইক্রোওয়েভে গরম করবেন না। তাতে তীব্র ঝাঁজাল ধোঁয়া তৈরি হতে পারে। যা থেকে কাশি এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যাও হতে পারে।
দীর্ঘদিনের পুরনো ভাত মাইক্রোওয়েভে গরম করবেন না। তাতে অদৃশ্য ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধতে পারে। যা পেটের জন্য ক্ষতিকারক। তাই ফ্রিজে রাখা ভাত গরম জল করে তার ভিতরে দিয়ে গরম করে নিন।
সবুজ শাকসবজিও মাইক্রোওয়েভে গরম না করাই ভালো। মাইক্রোওয়েভের তাপমাত্রায় তার গুণাগুন নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পরিবর্তে হালকা গরম জলে ডুবিয়ে শাকসবজি গরম করে খান।
ভাজা খাবারদাবার গরম করে না খেলে মন ভরে অনেকের। তাই খাওয়ার আগে কেউ কেউ ৩০ সেকেন্ডের জন্য মাইক্রোওয়েভে ভাজাভুজি খাবার দিয়ে গরম করে নেন। তবে এই অভ্যাস ত্য়াগ না করলে মুশকিল। কারণ, এই ধরনের খাবার গরম করার ফলে যে বাষ্প উৎপাদন হয়, তা শরীরের জন্য ক্ষতিকারক। তাই ভাজাভুজি খাবার গরম করতে চাইলে গ্যাসের উপর ভরসা করাই ভালো। এয়ার ফ্রায়ার থাকলেও ব্যবহার করতে পারেন।
রান্না করে রাখা সামুদ্রিক মাছ মাইক্রোওয়েভে ভুলেও গরম করবেন না। তাতে স্বাদের পাশাপাশি গুণও নষ্ট হতে পারে।
অনেক সময় সসেজ, হট ডগসের মতো খাবারদাবারও আমরা মাইক্রোওয়েভে গরম করি। এই অভ্যাসও বদল করা প্রয়োজন।
