নিত্যদিন অফিসের ব্যস্ততা। তাই ছুটির দিনে ব্যাগ হাতে বাজারে রওনা হন বহু গৃহস্থ। শাকসবজি, মাছের মতো মাংসও কিনে নেন তাঁরা। তা ধুয়ে ফ্রিজে রেখে দেন। প্রয়োজনমতো ফ্রিজ থেকে মাংস বের করে সুস্বাদু রান্নাবান্না করেন। মাংস খেয়ে পুষ্টি হচ্ছে বলেও আশা। কিন্তু সত্যিই কি তাই? আদৌ ফ্রিজে রাখা কাঁচা মাংস খেয়ে পুষ্টি হচ্ছে? নাকি পেটে ঢুকছে বিষ?
Advertisement
প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক, পুষ্টিবিদদের মতে ঠিক কীভাবে কাঁচা মাংস ফ্রিজে রাখা উচিত।
- মাংস কিনে এনে পরিষ্কার করে ধুয়ে ফেলুন।
- এবার তাতে যাতে বাড়তি জল লেগে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন।
- সম্পূর্ণ জল ঝরে যাওয়ার পর তা একটি এয়ারটাইট কৌটোয় ঢুকিয়ে রাখুন। বাইরের হাওয়া বাতাস যাতে না ঢুকতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখুন।
- ডিপফ্রিজে রাখাই ভালো। তাতে কাঁচা মাংসে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণের সম্ভাবনা কিছুটা কমে।
- বারবার ফ্রিজ থেকে কাঁচা মাংস বের করবেন না। যখন প্রয়োজন হবে, তখন একবার বের করবেন।
- পুরো কাঁচা মাংস একসঙ্গে রান্না করার চেষ্টা করুন।
কতদিন মাংস ফ্রিজে রাখা সম্ভব:
- পুষ্টিবিদদের মতে, মোটেও কাঁচা মাংস বেশিদিন ফ্রিজে রাখা উচিত নয়। খুব বেশি হলে দু'দিন ফ্রিজে রাখা যেতে পারে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মাংস রান্না করে না ফেললে গুণ তেমন থাকে না। পরিবর্তে তার উপর ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ হয়। যার মাধ্যমে শরীরে ভয়ানক রোগ বাসা বাঁধতে পারে।
- রাসায়নিক দেওয়া মাংস অবশ্য কিছুদিন বেশি রাখতে পারেন। তবে তার গুণাগুণ আদৌ থাকে কিনা, সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে।
মাংস রান্নার আগে ভালো করে দেখে নিন তা ঠিকঠাক আছে কিনা। মাংসে পচন ধরেছে কিনা কীভাবে বুঝবেন?
- কাঁচা মাংসের রং বদলে গিয়েছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখুন।
- দুর্গন্ধ ছাড়লে ভুলেও সেই মাংস খাবেন না।
- মাংসের নরম ভাব চলে গেলেও খাওয়ার আগে সাবধান হোন।
